অচেতন করে করতেন ধর্ষণ, পরে জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল খাওয়াতেন মাদরাসার হুজুর ইউসুফ
পাবনার সদর উপজেলায় মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আবু ইউসুফ প্রামাণিক নামের এক মাদরাসার হুজুরকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয় লোকজন। ওই ছাত্রীর অভিযোগ, এর আগেও তাঁকে…
মেলবোর্ন, ২৪ আগষ্ট- বিদ্রোহপ্রবণ থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে সমন্বিতভাবে অর্ধশতাধিক অগ্নিসংযোগ ও অগ্নিবোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২২আগষ্ট ) স্থানীয় সময় রাত ৮টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত দেশটির দক্ষিণ সীমান্তবর্তী কয়েকটি প্রদেশে এসব হামলা চালানো হয়। এতে অন্তত দুই নারী আহত হয়েছেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, থাইল্যান্ডের সামরিক বাহিনী এসব হামলাকে পরিকল্পিত ও সমন্বিত বলে মনে করছে। দেশটির সামরিক বাহিনীর ইন্টারনাল সিকিউরিটি অপারেশনস কমান্ড জানিয়েছে, অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতেই হামলাগুলো চালানো হয়েছে।
হামলার সবচেয়ে বেশি ঘটনা ঘটেছে নারাথিওয়াত প্রদেশে। এর পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী ইয়ালা ও পাত্তানি প্রদেশেও বেশ কয়েকটি অগ্নিসংযোগ ও হামলার খবর পাওয়া গেছে।
হামলাকারীরা স্থানীয় সরকারি কার্যালয়, দোকানপাট ও বিভিন্ন যানবাহনসহ নানা স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালায়। কয়েকটি এলাকায় টেলিযোগাযোগ টাওয়ারেও আগুন দেওয়া হয়। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং কিছু এলাকায় স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হয়।
নিরাপত্তা কর্মকর্তারা বাসিন্দাদের সতর্ক করে বলেছেন, হামলার পর কোনো সন্দেহজনক বস্তু পড়ে থাকতে দেখলে সেটি স্পর্শ না করতে। একই সঙ্গে সন্দেহজনক কোনো বস্তু বা কর্মকাণ্ড চোখে পড়লে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
এদিকে ব্যাংকক পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নারাথিওয়াত প্রদেশের মুয়াং জেলায় একটি বোমা বিস্ফোরণে দুই নারী আহত হয়েছেন। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলের নারাথিওয়াত, ইয়ালা ও পাত্তানি দীর্ঘদিন ধরেই বিদ্রোহ ও সহিংসতার কারণে অস্থির। বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতার সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন গোষ্ঠী অতীতে এসব এলাকায় বোমা হামলা, অগ্নিসংযোগ ও নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা চালিয়েছে। সর্বশেষ সমন্বিত হামলার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিরাপত্তা জোরদার করেছে থাই কর্তৃপক্ষ।
সুত্রঃ বিবিসি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au