অস্ট্রেলিয়ায় বন্যার পানিতে ডুবতে থাকা গাড়ি থেকে চালককে বাঁচালেন সাংবাদিক
অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড অঙ্গরাজ্যে বন্যার পানিতে ডুবে যেতে থাকা একটি গাড়ি থেকে চালককে উদ্ধার করেছেন টেলিভিশন সাংবাদিক উইল মারে ও এক পথচারী। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ঘটে…
পাবনার সদর উপজেলায় মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আবু ইউসুফ প্রামাণিক নামের এক মাদরাসার হুজুরকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয় লোকজন। ওই ছাত্রীর অভিযোগ, এর আগেও তাঁকে একাধিকবার অচেতন করে ধর্ষণ করা হয়েছে। পরে খাওয়ানো হতো জন্মনিয়ন্ত্রণের ওষুধ।
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ লোকজন মাদরাসা ও অভিযুক্ত শিক্ষকের থাকার বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছেন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দিবাগত রাতে উপজেলার দড়িভাউডাঙ্গা এলাকায় পদ্মা হাসপাতালের পাশে অবস্থিত একটি নুরানী মহিলা মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত আবু ইউসুফ প্রামাণিক সদর উপজেলার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের খালিশপুর গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে। তিনি ওই মাদরাসার বড় হুজুর ও পরিচালক ছিলেন। প্রতিষ্ঠানটিতে প্রায় দেড় শ ছাত্রী পড়াশোনা করে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফজরের আজানের আগে এক ছাত্রী শৌচাগারে যাওয়ার জন্য কক্ষ থেকে বের হলে ইউসুফ তাঁকে জোর করে একটি কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ ওই ছাত্রীর।
এ সময় ছাত্রীর চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসেন। তাঁদের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করলে তাঁকে আটক করা হয়। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হলে তাঁকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন স্থানীয় লোকজন।
আগেও ধর্ষণের অভিযোগ
ওই ছাত্রীর অভিযোগ, এর আগেও তাঁকে একাধিকবার অচেতন করে ধর্ষণ করেছেন ইউসুফ। এ জন্য চেতনানাশক পদার্থ ব্যবহার করা হতো। পরে তাঁকে জন্মনিয়ন্ত্রণের ওষুধ খাওয়ানো হতো বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
মাদরাসার আরও কয়েকজন ছাত্রীর সঙ্গে একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি ওই ছাত্রীর। বিষয়টি কাউকে জানালে তাঁকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হতো বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।
এদিকে ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা মাদরাসা ও অভিযুক্ত শিক্ষকের থাকার বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন।
স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ
অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আগে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ তুলেছেন তাঁর স্ত্রীর স্বজনেরা। তাঁদের দাবি, পরকীয়ার জেরে ওই হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়েছিল কি না, সে বিষয়েও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) সঞ্জয় কুমার সাহা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করা হয়েছে। ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
পাবনার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ বলেন, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি মাদরাসায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au