বাংলাদেশ পাকিস্তান নয়, দুই দেশকে এক কাতারে ফেললে ক্ষতি ভারতেরই
প্রায় দুই বছর আগের তুলনায় ভারতের তাৎক্ষণিক প্রতিবেশ এখন অনেক বেশি জটিল ও অস্থির। ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, প্রতিবেশী দেশগুলোর সংকট কিংবা তাদের সঙ্গে…
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে নবম শ্রেণির ছেলেকে ছুরির মুখে জিম্মি করে ৩৮ বছর বয়সী এক নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় করা মামলায় রাজীব (২১) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার রাজীব গফরগাঁও উপজেলার বাসিন্দা। ঘটনার পর বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতভর অভিযান চালিয়ে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভোরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনতোষ বিশ্বাস জানান, বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনার খবর পাওয়ার পর পুলিশ অভিযান শুরু করে। পরে শুক্রবার ভোরে মামলার অন্যতম অভিযুক্ত রাজীবকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে পাঁচ যুবক পানি চাওয়ার কথা বলে ওই নারীর বাড়িতে যায়। একপর্যায়ে তারা ওই নারী ও তাঁর নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলেকে ছুরির মুখে জিম্মি করে। এ সময় অভিযুক্তরা তাঁদের ভয়ভীতি দেখিয়ে নিয়ন্ত্রণে নেয়।
এজাহারে ওই নারী অভিযোগ করেছেন, অভিযুক্তরা তাঁর কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা নগদ, স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নেয়। এরপর তাঁকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে এবং ঘটনার ভিডিও ধারণ করে।
ঘটনার পর অভিযুক্তরা আরও দুই লাখ টাকা দাবি করে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। তিন দিনের মধ্যে ওই টাকা না দিলে ধারণ করা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেছেন ওই নারী।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, নির্যাতনের সময় ওই নারীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরে তাঁরা ওই নারীকে উদ্ধার করে পুলিশকে খবর দেন।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত পাঁচজনের মধ্যে রাজীব ছাড়াও শরীফ মিয়া (২৩) ও আরিফ মিয়া (২১) রয়েছেন। তদন্তের স্বার্থে বাকি দুই অভিযুক্তের নাম প্রকাশ করেনি পুলিশ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনতোষ বিশ্বাস বলেন, মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। তাঁদের গ্রেপ্তার করা গেলে ঘটনার বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে, ভুক্তভোগী নারীকে চিকিৎসা পরীক্ষার জন্য আজ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং অভিযোগের সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au