বাংলাদেশ

আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে আনার প্রস্তাব

মতামতঃ সাজ্জাদ কাদির

  • 6:50 pm - September 19, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৪৭ বার
সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব ও আগামী দিনের নেতৃত্ব কাঠামো নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ আলোচনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে দলের মূলধারার রাজনীতিতে আনার পক্ষে মত দিয়েছেন একটি মতামতধর্মী নিবন্ধের লেখক সাজ্জাদ কাদির

‘সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বৈশ্বিক অবস্থান এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব’ শিরোনামের ওই মতামতধর্মী লেখায় দাবি করা হয়েছে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরির যে প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন ধরে চলেছে, তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ সায়মা ওয়াজেদ ও সজীব ওয়াজেদ জয়।

তবে এসব মূল্যায়ন লেখকের নিজস্ব মতামত। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সায়মা ওয়াজেদকে ভবিষ্যৎ নেতৃত্বে আনার বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা রাজনৈতিক কর্মসূচির তথ্য ওই লেখায় দেওয়া হয়নি।

সায়মা ওয়াজেদ ২০২৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেন। তিনি এই পদে বাংলাদেশের প্রথম এবং এ অঞ্চলের দ্বিতীয় নারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাঁচ বছরের মেয়াদে তাঁর দায়িত্ব পালনের কথা ছিল।

তবে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি ওই পদ থেকে পদত্যাগ করেন। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্নীতি ও জালিয়াতিসংক্রান্ত অভিযোগের তদন্তের মধ্যে তিনি পদত্যাগ করেন। তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। অন্যদিকে, তাঁর পদত্যাগের আগে ডব্লিউএইচওর সংশ্লিষ্ট কমিটি তাঁকে পদ থেকে সরানোর সুপারিশ করেছিল বলে ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসও জানিয়েছে, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সায়মা ওয়াজেদ পদত্যাগ করেন। তাঁর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ও ডব্লিউএইচও পর্যায়ে বিভিন্ন অভিযোগের তদন্ত চলছিল। সায়মা ওয়াজেদ তাঁর পদত্যাগের কারণ হিসেবে হয়রানি, প্রতিশোধমূলক আচরণ এবং ডব্লিউএইচওর নেতৃত্বের ওপর আস্থার সংকটের কথা উল্লেখ করেছেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ডব্লিউএইচও অবশ্য জানিয়েছে, বিষয়টি প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই পরিচালনা করা হয়েছে।

মতামতধর্মী নিবন্ধটিতে অবশ্য সায়মা ওয়াজেদের পদত্যাগের ঘটনাকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। লেখকের দাবি, বিভিন্ন ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার এবং ডব্লিউএইচও ও ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সহযোগীদের নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি ওই পদে থাকতে পারেননি। তবে এই দাবির পক্ষে নিবন্ধে কোনো স্বাধীন প্রমাণ বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়নি। ফলে বিষয়টি লেখকের অভিযোগ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণ হিসেবেই বিবেচ্য।

নিবন্ধটির লেখক মনে করেন, সায়মা ওয়াজেদ পদটির মর্যাদা আঁকড়ে না ধরে পদত্যাগের মাধ্যমে নিজের মর্যাদা ও দেশের সম্মান রক্ষা করেছেন। তাঁকে আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের অন্যতম সম্ভাবনাময় মুখ হিসেবেও তুলে ধরা হয়েছে।

লেখাটিতে আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে দীর্ঘদিনের একটি রাজনৈতিক বিতর্কের প্রসঙ্গও আনা হয়েছে। লেখকের মতে, শেখ হাসিনা দলের দ্বিতীয় বা তৃতীয় সারির নেতৃত্ব তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছেন বলে যে সমালোচনা রয়েছে, বাস্তবে তার বিপরীত চিত্র দেখা যেতে পারে। তাঁর দাবি, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করার সুযোগ তৈরি করে শেখ হাসিনা দীর্ঘদিন ধরে সায়মা ওয়াজেদ ও সজীব ওয়াজেদ জয়কে নিজেদের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ দিয়েছেন।

সায়মা ওয়াজেদের আন্তর্জাতিক পেশাগত পরিচিতির ক্ষেত্রে বেশ কিছু তথ্য অবশ্য সরকারি ও আন্তর্জাতিক সূত্রে নিশ্চিত করা যায়। ডব্লিউএইচওর তথ্য অনুযায়ী, আঞ্চলিক পরিচালক হওয়ার আগে তিনি সংস্থাটির মহাপরিচালকের মানসিক স্বাস্থ্য ও অটিজমবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন এবং মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষজ্ঞ পরামর্শক প্যানেলের সদস্য ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য কৌশলগত পরিকল্পনার প্রধান উপদেষ্টা, অটিজম ও নিউরোডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডারবিষয়ক জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারপারসন এবং প্রতিবন্ধিতা বিষয়ে সরকারের ফোকাল পারসন হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি যুক্তরাজ্যের চ্যাথাম হাউসের গ্লোবাল হেলথ প্রোগ্রামের সহযোগী ফেলো এবং ইউনিভার্সাল হেলথ কমিশনের কমিশনার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর ফোরামের ‘ভালনারেবিলিটি’ বিষয়ক থিমেটিক অ্যাম্বাসেডর হিসেবেও তাঁর দায়িত্ব পালনের তথ্য রয়েছে। বাংলাদেশে তিনি শুচোনা ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন ছিলেন।

অটিজম ও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজের ক্ষেত্রেও তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। ডব্লিউএইচওর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে তাঁকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের অটিজমবিষয়ক শুভেচ্ছাদূত করা হয়। ২০১৯ সাল থেকে তিনি ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালকের মানসিক স্বাস্থ্য ও অটিজমবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৪ সালে ডব্লিউএইচও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের পক্ষ থেকে জনস্বাস্থ্যে অবদানের জন্য তিনি ‘এক্সেলেন্স ইন পাবলিক হেলথ’ পুরস্কারও পান।

শিক্ষাজীবনের ক্ষেত্রেও সায়মা ওয়াজেদের মনোবিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা রয়েছে। ডব্লিউএইচওর সরকারি জীবনী অনুযায়ী, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ব্যারি ইউনিভার্সিটি থেকে মনোবিজ্ঞানে স্নাতক, ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিতে স্নাতকোত্তর এবং স্কুল সাইকোলজিতে বিশেষায়িত ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তাঁর নিজস্ব জীবনীতে শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ে ডক্টরেট ডিগ্রির কথাও উল্লেখ রয়েছে।

২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর ডব্লিউএইচওর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের ১১টি দেশ এবং দুই বিলিয়নের বেশি মানুষের স্বাস্থ্যসংক্রান্ত কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব ছিল তাঁর ওপর। মানসিক স্বাস্থ্য, স্বাস্থ্যসেবায় সমতা, নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলাকে তিনি অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন।

মতামতধর্মী নিবন্ধটিতে সায়মা ওয়াজেদকে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক নেতৃত্বে আনার পক্ষে তিনটি যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে। প্রথমত, মনোবিজ্ঞান ও মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে তাঁর শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা তাঁকে আধুনিক রাজনীতিতে মানুষের মানসিক ও সামাজিক সংকট বোঝার ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে বলে লেখক মনে করেন।

দ্বিতীয়ত, ডব্লিউএইচও, চ্যাথাম হাউস এবং জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে তাঁর কাজের অভিজ্ঞতাকে আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও বৈশ্বিক রাজনীতিতে সম্ভাব্য সম্পদ হিসেবে দেখানো হয়েছে।

তৃতীয়ত, লেখক তাঁর দীর্ঘ পেশাজীবনকে রাজনৈতিক ক্ষমতার বাইরে জনস্বাস্থ্য, মানবিক কর্মকাণ্ড ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত হিসেবে বর্ণনা করে দাবি করেছেন যে এ কারণে তাঁর একটি গ্রহণযোগ্য জনপরিচয় তৈরি হয়েছে। তবে ‘পরিষ্কার’ বা ‘বিতর্কমুক্ত’ ভাবমূর্তির মতো মূল্যায়নগুলো লেখকের নিজস্ব রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাম্প্রতিক অভিযোগের প্রেক্ষাপটে এগুলোকে প্রতিষ্ঠিত তথ্য হিসেবে উপস্থাপন করা যায় না।

নিবন্ধে সজীব ওয়াজেদ জয়ের ভূমিকাও একই সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে। লেখকের মতে, সায়মা ওয়াজেদ দেশের অভ্যন্তরে সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্যভিত্তিক কাজের মাধ্যমে নেতৃত্ব দিতে পারেন এবং সজীব ওয়াজেদ জয় প্রযুক্তি ও বৈশ্বিক পরিসরে ভূমিকা রাখতে পারেন। এভাবে দুই ভাই-বোন ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশের নেতৃত্বে ভিন্ন ভিন্ন ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারেন বলে লেখক মত দিয়েছেন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে, নিবন্ধটিতে ভবিষ্যৎ সরকার ও নেতৃত্ব কাঠামো নিয়ে লেখকের একটি প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ ভবিষ্যতে রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরলে শেখ হাসিনাকে অন্তত একটি পূর্ণ মেয়াদ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাখার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে সায়মা ওয়াজেদকে সরাসরি রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বে আনা যেতে পারে। এমনকি তাঁকে ‘ছায়া প্রধানমন্ত্রী’ বা ছায়া সরকারের প্রধান করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। একই কাঠামোয় সজীব ওয়াজেদ জয়ের ভূমিকাও রাখার কথা বলা হয়েছে।

তবে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফিরবে কি না বা ভবিষ্যতে শেখ হাসিনা, সায়মা ওয়াজেদ কিংবা সজীব ওয়াজেদ কী ধরনের রাজনৈতিক দায়িত্ব পালন করবেন, সে বিষয়ে এই লেখার বাইরে কোনো নিশ্চিত সরকারি সিদ্ধান্ত বা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা উল্লেখ করা হয়নি।

নিবন্ধের শেষাংশে লেখক আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী, বুদ্ধিজীবী ও সচেতন নাগরিকদের সায়মা ওয়াজেদের সম্ভাব্য রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে ভাবার আহ্বান জানিয়েছেন। লেখকের মতে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী একজন নারী হিসেবে সায়মা ওয়াজেদের অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে দেশের রাজনীতিতে কাজে লাগানো যেতে পারে।

সায়মা ওয়াজেদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে এমন আলোচনা তৈরি হলেও বর্তমানে তাঁর রাজনৈতিক পদ বা দায়িত্বের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নেই। অন্যদিকে, ডব্লিউএইচওর বর্তমান তথ্য অনুযায়ী দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালকের দায়িত্বে অন্তর্বর্তীকালীনভাবে ড. নিশিলেশ বুদ্ধ দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ১৭ আগস্ট ২০২৬ থেকে এ দায়িত্বে আছেন।

ফলে সায়মা ওয়াজেদকে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক নেতৃত্বে আনার বিষয়টি বর্তমানে মূলত রাজনৈতিক বিশ্লেষণ ও মতামতের পর্যায়ে রয়েছে। তাঁর আন্তর্জাতিক পেশাগত অভিজ্ঞতা ও জনস্বাস্থ্য ক্ষেত্রে কাজের রেকর্ড নথিভুক্ত হলেও, ভবিষ্যতে তিনি সক্রিয় দলীয় রাজনীতিতে যুক্ত হবেন কি না বা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে কোনো আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব নেবেন কি না, তা এখনো অনিশ্চিত।

লেখকঃ সাজ্জাদ কাদির একজন বাংলাদেশি লেখক, কলামিস্ট, সাংবাদিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক, টেলিভিশন অনুষ্ঠান উপস্থাপক এবং প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা।

এই শাখার আরও খবর

বাংলাদেশ পাকিস্তান নয়, দুই দেশকে এক কাতারে ফেললে ক্ষতি ভারতেরই

প্রায় দুই বছর আগের তুলনায় ভারতের তাৎক্ষণিক প্রতিবেশ এখন অনেক বেশি জটিল ও অস্থির। ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, প্রতিবেশী দেশগুলোর সংকট কিংবা তাদের সঙ্গে…

আট দফা দাবিতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলের ঢাকা-রংপুর লংমার্চ

আট দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-রংপুর লংমার্চ শুরু হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টার দিকে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে…

ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা, ‘উভয় দেশের স্বার্থ নিশ্চিত করাই লক্ষ্য’

ভারতের সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে করা ১০১টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ সরকার। এসব চুক্তিতে কোনো অসামঞ্জস্য বা বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী কোনো বিধান রয়েছে কি…

ময়মনসিংহে ছেলেকে জিম্মি করে মাকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে নবম শ্রেণির ছেলেকে ছুরির মুখে জিম্মি করে ৩৮ বছর বয়সী এক নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় করা মামলায় রাজীব (২১) নামের…

প্রতিবছর গড়ে ১০০ নারী শ্রমিকের মরদেহ ফিরছে দেশে

সুন্দর ও স্বচ্ছল জীবনের আশায় প্রতিবছর হাজারো বাংলাদেশি নারী কাজের উদ্দেশ্যে বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছেন। তাঁদের বড় একটি অংশ গৃহকর্মী হিসেবে বিভিন্ন দেশে গেলেও বিদেশ যাওয়ার…

২০ সেপ্টেম্বর ‘ঢাকা লকডাউন’, শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের কাউন্টডাউন শুরু

রাজধানী ঢাকায় আগামীকাল রোববার ‘লকডাউন’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে আওয়ামী লীগ ও দলটির সহযোগী সংগঠন যুবলীগ। আগামী ২০ সেপ্টেম্বর দিনব্যাপী এ কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে।…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au