উচ্চশক্তির নিউট্রিনো শনাক্ত করে নোবেল পেলেন হালজেন
জ্যোতির্বিজ্ঞানে নতুন এক ধারার ভিত্তি তৈরির স্বীকৃতি হিসেবে পদার্থবিজ্ঞানে ২০২৬ সালের নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন বেলজিয়ামে জন্ম নেওয়া মার্কিন বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হালজেন। দক্ষিণ মেরুর বরফ ব্যবহার…
নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নজরদারি বাড়ানো এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। কিন্তু কোথাও নির্ধারিত দামে এলপিজি পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে সরকারের নির্দেশের পরও বাজারে এলপিজি নিয়ে ভোগান্তি কাটছে না সাধারণ মানুষের।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এলপিজির বাজার পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, এলপিজির দাম সমন্বয় করতে সরকার বাধ্য হয়েছে। তবে দেশের বিভিন্ন জায়গায় এলপিজি পাওয়া যাচ্ছে না—এমন অভিযোগও সরকার পেয়েছে।
উপদেষ্টা বলেন, খুচরা বাজারে এলপিজির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকদের নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে যারা নির্ধারিত মূল্যের বাইরে এলপিজি বিক্রি করবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
তিনি বলেন, সেপ্টেম্বর মাসে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ৯৮৪টি অভিযান পরিচালনা করেছে। এসব অভিযানের মাধ্যমে বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে। এলপিজি নিয়ে যে সংকট তৈরি হয়েছে, তা ধীরে ধীরে কমে আসবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তবে সরকারের অভিযান ও নির্দেশনার পরও বাজারে নির্ধারিত দামে এলপিজি পাওয়া না যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। কোথাও সরবরাহ সংকট, আবার কোথাও বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ করছেন ভোক্তারা। ফলে নির্ধারিত দাম কার্যকর করতে সরকারি নজরদারি কতটা কাজে আসছে, তা নিয়ে প্রশ্নও উঠছে।
বর্তমানে খুচরা বাজারে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার এখন ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৭০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। অথচ বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। অর্থাৎ কোথাও কোথাও একটি সিলিন্ডারের জন্য নির্ধারিত দামের চেয়ে প্রায় ৮৬৩ টাকা বেশি গুনতে হচ্ছে ভোক্তাদের।
এলপিজির ওপর নির্ভরশীল নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য এই বাড়তি দাম বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক এলাকায় গ্যাস না থাকায় কিংবা সরবরাহ সংকটে বাধ্য হয়ে বেশি দামেই সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে। কোথাও আবার বেশি দাম দিতে রাজি হলেও সিলিন্ডার মিলছে না। ফলে রান্নার জ্বালানি জোগাড় করতে গিয়ে পরিবারগুলোর মাসিক খরচ বেড়ে যাচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au