ফ্রান্সে সহিংস বিক্ষোভ, অভিবাসননীতি নিয়ে ম্যাক্রোঁকে ট্রাম্পের কড়া বার্তা। ছবি: সংগৃহীত
ফ্রান্সে সহিংস বিক্ষোভ ও ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনায় অভিবাসননীতিকে দায়ী করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দেশটির প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁকে সীমান্ত বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
ট্রাম্প তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, ‘ফ্রান্স জ্বলছে! সম্পূর্ণ ভিন্ন এক জগতের মানুষের অভিবাসন, যাদের হৃদয়ে ঘৃণা রয়েছে, একসময়ের মহান দেশটিকে ধ্বংস করে দিয়েছে।’
তিনি আরও লেখেন, ‘অনেক দেরি হয়ে যাওয়ার আগেই সীমান্ত বন্ধ করুন এবং পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ নিন।’
শনিবারের সহিংস বিক্ষোভে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পর রোববারও পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছিল ফ্রান্স। বিক্ষোভে দেশটির একটি ঐতিহাসিক টাউন হল আগুনে পুড়ে যায়। এ ঘটনায় দুই হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁর ওপর রাজনৈতিক চাপ আরও বেড়েছে। তাঁকে প্রতিস্থাপনের জন্য নির্বাচন হতে আর ছয় মাস বাকি। ফলে চলমান সহিংসতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তাঁর সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।
রোববার বিকেলে সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসার কথা রয়েছে ম্যাক্রোঁর। পরে স্থানীয় সময় রাত ৮টায় তিনি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। অস্ট্রেলিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় সময় অনুযায়ী, ভাষণটি প্রচারিত হওয়ার কথা সোমবার ভোর ৫টায়।
এদিকে যুক্তরাজ্যের সেনাপ্রধানও সম্ভাব্য যুদ্ধের জন্য জনগণকে প্রস্তুত থাকার সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দেশকে সুরক্ষিত রাখতে কী ধরনের ত্যাগ স্বীকার করতে হতে পারে, তা নিয়ে রাজনৈতিক নেতারা শিগগিরই জনগণের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা শুরু করবেন।
সূত্র: নিউজ.কম.এইউ