খুলনায় ১৫ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই খুন, দুটিতেই মাদক-সংশ্লিষ্টতার সন্দেহ
খুলনা নগরে প্রায় ১৫ ঘণ্টার ব্যবধানে গুলি করে এক যুবক ও এক গৃহবধূকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে নগরের পূর্ব বানিয়াখামার এলাকায় তাওহিদুল…
চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় তিব্বত অঞ্চলে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাত ১০টা ৩৩ মিনিটে এ ভূমিকম্প হয়। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
চায়না আর্থকোয়েক নেটওয়ার্কস সেন্টারের (সিইএনসি) তথ্যের বরাতে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল তিব্বতের উত্তরাঞ্চলের নাগচু এলাকার একটি উচ্চ পার্বত্য কাউন্টিতে। ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে ছিল এর কেন্দ্র।
সিইএনসির তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের পাঁচ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে ভূমির গড় উচ্চতা প্রায় ৪ হাজার ৮৬৪ মিটার। দুর্গম ও উচ্চ পার্বত্য এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় ভূমিকম্পের পর তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া যায়নি।
২০২৪ সালের জানুয়ারির পর চীনে সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পন
সিইএনসি জানিয়েছে, ৭ মাত্রার এই ভূমিকম্পটি ২০২৪ সালের জানুয়ারির পর চীনে আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প। স্থানীয় এলাকায় কম্পনটি স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল তিব্বতের রাজধানী লাসা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে।
তবে ভূমিকম্পের পর কোনো প্রাণহানি, আহত ব্যক্তির সংখ্যা কিংবা অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে যোগাযোগ ও পরিস্থিতি মূল্যায়নের সীমাবদ্ধতার কারণে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র জানতে আরও সময় লাগতে পারে।
২০১০ সালের ভূমিকম্পে প্রাণ হারান প্রায় ২ হাজার ৭০০ মানুষ
এর আগে ২০১০ সালে চীনের প্রতিবেশী ছিংহাই প্রদেশের ইউশু এলাকায় ৭ দশমিক ১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। ওই এলাকার অবস্থান বর্তমান ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল থেকে প্রায় ২৮০ কিলোমিটার দূরে।
২০১০ সালের ওই ভূমিকম্পে অন্তত ২ হাজার ৬৯৮ জন নিহত হন। এ ছাড়া প্রায় ৩০০ জন নিখোঁজ ছিলেন। ভয়াবহ ওই দুর্যোগে অঞ্চলটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল।
তবে ২০১০ সালের ভূমিকম্পের ভয়াবহতার সঙ্গে তুলনা করার মতো কোনো তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবারের ভূমিকম্পে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশিত হলে পরিস্থিতির প্রকৃত মাত্রা সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।
সূত্র: রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au