বিনোদন

তিন কারণে ভাঙছে তিশা-ফারুকীর সংসার, মুখ দেখাদেখিও বন্ধ

  • 3:54 pm - October 24, 2026
  • পঠিত হয়েছে:১১১ বার
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও নুসরাত ইমরোজ তিশা। ছবি : সংগৃহীত

ওটিএন বাংলা রিপোর্ট 

প্রেম থেকে পরিণয়, একসঙ্গে পথচলার ১৬ বছর। সেই সংসারেই এবার ভাঙনের সুর। নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার দাম্পত্য জীবনে তৈরি হয়েছে গভীর দূরত্ব। দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে আলাদা থাকছেন তাঁরা। বন্ধ রয়েছে পরস্পরের মুখ দেখাদেখিও। তাঁদের একমাত্র কন্যাসন্তান ইলহাম নুসরাত ফারুকীকে নিয়ে ঢাকায় মায়ের কাছে থাকছেন তিশা।

পরস্পরের প্রতি অবিশ্বাস, ফারুকীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ এবং অস্ট্রেলিয়ার বাড়ি বিক্রি নিয়ে মতবিরোধ—এই তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করে তাঁদের দাম্পত্য জীবনে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। আগামী জানুয়ারিতে বিচ্ছেদের চূড়ান্ত ঘোষণা আসতে পারে বলেও আলোচনা রয়েছে।

ফারুকী ও তিশার দীর্ঘদিনের দাম্পত্য সম্পর্কে অবিশ্বাস তৈরি হওয়াকে বিচ্ছেদের অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ফারুকীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগও সামনে এসেছে। এসব বিষয়কে কেন্দ্র করে দুজনের সম্পর্কের দূরত্ব বেড়েছে বলে আলোচনা রয়েছে। একসময় কাজ ও ব্যক্তিগত জীবনে একে অপরের সঙ্গী থাকলেও এখন তাঁদের মধ্যে যোগাযোগের ঘাটতি তৈরি হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

ফারুকী-তিশা। ছবি : সংগৃহীত

দাম্পত্য জীবনে টানাপোড়েনের আরেকটি কারণ অস্ট্রেলিয়ায় কেনা বাড়ি বিক্রি নিয়ে মতবিরোধ। বাড়িটি বিক্রি করতে চান ফারুকী, তবে তাতে সম্মতি নেই তিশার। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে মতবিরোধ তৈরি হয়েছে বলে আলোচনা রয়েছে। বাড়িটি বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়ে তাঁদের অবস্থানের পার্থক্য সম্পর্কের সংকটকে আরও জটিল করেছে।

দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে আলাদা থাকছেন ফারুকী ও তিশা। তাঁদের একমাত্র কন্যাসন্তান ইলহামকে নিয়ে ঢাকায় মায়ের কাছে থাকছেন তিশা। দুজনের মধ্যে যোগাযোগ ও দেখা-সাক্ষাৎ বন্ধ রয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে। দীর্ঘদিনের এই দূরত্ব তাঁদের দাম্পত্য জীবনের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে। আগামী জানুয়ারিতে বিচ্ছেদের চূড়ান্ত ঘোষণা আসতে পারে বলেও আলোচনা চলছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দিয়েছেন ফারুকী। সেখানে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কোনো মন্তব্য না করে কাজ ও গল্প বলার প্রসঙ্গ তুলে ধরেছেন তিনি। তবে তিশার সঙ্গে সম্পর্ক কিংবা বিচ্ছেদের বিষয়ে পোস্টে কোনো বক্তব্য দেননি। এ বিষয়ে ফারুকী ও তিশার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

কাজের সূত্রে পরিচয়, বন্ধুত্ব, এরপর প্রেম। দীর্ঘ পাঁচ বছরের প্রেমের সম্পর্কের পর ২০১০ সালের ১৬ জুলাই বিয়ে করেন ফারুকী ও তিশা। দীর্ঘ ১৬ বছরের দাম্পত্য জীবনে ২০২২ সালে তাঁদের ঘরে আসে কন্যাসন্তান ইলহাম নুসরাত ফারুকী। একসঙ্গে দীর্ঘ পথচলার পর এই দম্পতির সম্পর্কের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে শোবিজ অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছে। সবার মনে একটাই প্রশ্ন, তবে কি ভেঙ্গেই যাচ্ছে এই প্রিয় তারকা দম্পতির সংসার?

 

এই শাখার আরও খবর

এআই প্রযুক্তির কারণে বাড়ছে সাইবার ঝুঁকি, সতর্ক করলেন বিশেষজ্ঞরা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির ফলে সফটওয়্যারের গোপন নিরাপত্তাত্রুটি আগের চেয়ে অনেক দ্রুত শনাক্ত হচ্ছে। এতে একদিকে সফটওয়্যারকে আরও নিরাপদ করার সুযোগ তৈরি…

মাদ্রাসাছাত্রকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে এবার আরেক হুজুর গ্রেপ্তার

মাদ্রাসাছাত্রকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে এবার সাতক্ষীরায় আরেক মাদ্রাসাশিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মো. মোখলেছুর রহমান (৪০) নামের ওই শিক্ষক আশাশুনি উপজেলার সরাপপুর দারুসসুন্নাহ হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও…

অবসরের পর যেভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকতে চান জানালেন মেসি

ফুটবল মাঠে অসংখ্য শিরোপা ও ব্যক্তিগত পুরস্কার জিতেছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে নিজের অসাধারণ নৈপুণ্যে ফুটবল বিশ্বকে মুগ্ধ করেছেন তিনি।…

ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে পিছিয়ে বাংলাদেশ, আট মাসে আয় কমেছে ১১.৬৭ শতাংশ

ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি আয় কমেছে উল্লেখযোগ্য হারে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত আট মাসে এ বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি আয়…

সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি

জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক পরিচালক আসিফ আকবরের ব্যক্তিগত গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েছে অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা। শনিবার (২৪ অক্টোবর) ভোরে রাজধানীর মগবাজার…

অস্ট্রেলিয়ার দুর্গাপূজায় চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবি

ওটিএন বাংলা, অস্ট্রেলিয়া: দেবীর আরাধনা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন দুর্গাপূজা মণ্ডপে এবার উঠে এসেছে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও অধিকারের প্রশ্ন। বাংলাদেশে…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au