ট্রানজিট করিডর নিয়ে সমঝোতা, মাতারবাড়ী বন্দরে অর্থায়নের সম্ভাবনা
জাপান সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্পে অর্থায়ন চুক্তি সই হতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ছয় লেনের…
ইলিশের প্রজনন ও উৎপাদন বাড়াতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা চললেও লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদীতে থেমে নেই মাছ শিকার। নিষেধাজ্ঞার প্রথম ১৮ দিনে ইলিশ ধরার অভিযোগে ১৩৮ জেলেকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৭৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং ৬৫ জনকে মোট ১ লাখ ৫৭ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রোববার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন লক্ষ্মীপুরের জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জসিম উদ্দীন।
মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ দিনে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে ২০৮টি অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানে ৩ দশমিক ৯৫ মেট্রিক টন ইলিশ, প্রায় ৩৫ লাখ ২০ হাজার মিটার অবৈধ জাল, ১৮টি নৌকা ও একটি স্পিডবোট জব্দ করা হয়।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জসিম উদ্দীন জানান, জব্দ করা ইলিশ স্থানীয় এতিমখানা ও দুস্থদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। জব্দ করা জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। নৌকাগুলো জব্দ করে রাখা হয়েছে।
মৎস্য বিভাগ জানায়, মা ইলিশ সংরক্ষণে লক্ষ্মীপুরসহ দেশের ২০টি জেলার নদ-নদী ও সাগরে ২২ দিনের জন্য সব ধরনের মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। গত ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এ নিষেধাজ্ঞা আগামী ২৯ অক্টোবর মধ্যরাত পর্যন্ত বহাল থাকবে।
এ সময়ে মাছ ধরা, পরিবহন, মজুত, বাজারজাত, কেনাবেচা ও বিনিময় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে মৎস্য বিভাগ, কোস্টগার্ড, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মেঘনা নদীতে নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে।
আইন অমান্য করলে সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা জরিমানা, দুই বছরের কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জসিম উদ্দীন বলেন, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে মৎস্য বিভাগ, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ এবং কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে প্রতিদিন অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। আইন অমান্য করে নদীতে মাছ ধরতে গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ইলিশের সম্পদ রক্ষায় এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au