হুথিদের হুমকির মধ্যেই রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট চালু
ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর হামলার হুমকির মধ্যেই সৌদি আরবের রিয়াদে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) ভোর থেকে বিমানবন্দরটির কার্যক্রম…
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আক্রমণ করতে গিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। রোববার (২৫ অক্টোবর) পাটনায় এক সভায় বক্তৃতা দেওয়ার সময় মোদিকে নিয়ে ‘বাপও যাবেন’ মন্তব্য করেন তিনি। এ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হলে কংগ্রেসকে শালীনতার সীমা ছাড়ানোর অভিযোগে নিশানা করেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিজেপির জ্যেষ্ঠ নেতা অমিত শাহ।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, খাড়গে যখন বক্তৃতা দিচ্ছিলেন, তখন দর্শকাসন থেকে একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘মোদি যাচ্ছেন না।’ এর জবাবে খাড়গে বলেন, ‘মোদির বাপও যাবেন।’ বক্তব্যের সময় একই মন্তব্য তিনবার করেন তিনি। এ সময় মোদির প্রয়াত বাবাকে নিয়েও বিতর্কের সূত্রপাত হয়।
ওই সভায় খাড়গে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে কালো টাকা দেশে ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি পূরণ না করার অভিযোগও তোলেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদি ১০০ দিনের মধ্যে বিদেশে থাকা কালো টাকা দেশে ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই টাকা কোথায়, তা জানতে চান তিনি। বক্তৃতায় রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘেরও সমালোচনা করেন কংগ্রেস সভাপতি।
তবে খাড়গের বিতর্কিত মন্তব্যের পেছনে একটি ভুল-বোঝাবুঝি কাজ করেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, দর্শকাসন থেকে মন্তব্য করা ব্যক্তির নাম সন্তোষ কুমার। তাঁর পুরো বক্তব্য শোনা যায়নি বলে দাবি উঠেছে। ঘটনার পর সেখানে উপস্থিত কংগ্রেস সমর্থকেরা তাঁকে মারধর করে সভাস্থল থেকে বের করে দেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
পরে সন্তোষ কুমার দাবি করেন, তিনি সভায় বিঘ্ন ঘটাতে চাননি। তাঁর বক্তব্য ভুলভাবে বোঝা হয়েছে। তিনি আসলে বলতে চেয়েছিলেন, বিদ্রোহ না হলে মোদিকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না। তাঁর ভাষ্য, ‘আমি বলছিলাম, বিদ্রোহ না হলে মোদি যাবেন না। কিন্তু বক্তব্যের একটি অংশই শোনা গেছে, ফলে ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছে।’
খাড়গের মন্তব্যের পর কংগ্রেসের সমালোচনায় সরব হন বিজেপির শীর্ষ নেতারা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে অমিত শাহ বলেন, পাটনায় কংগ্রেস সভাপতি মোদির বাবাকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করে শালীনতার সব সীমা ছাড়িয়ে গেছেন।
শাহ আরও বলেন, রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস দিন দিন শালীনতার সীমা অতিক্রম করছে। একের পর এক নির্বাচনে পরাজয়ের কারণে দলটি হতাশা ও নৈরাশ্যে ভুগছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, কংগ্রেসের হাতে এখন কুকথার রাজনীতি ছাড়া আর কিছু অবশিষ্ট নেই এবং দলটি নিজেদের কর্মীদের কাছেও গ্রহণযোগ্যতা হারাচ্ছে।
সূত্র: আনন্দবাজার.কম
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au