খুলনায় ছাত্রদল নেতার পেট বরাবর গুলি, উন্নত চিকিৎসায় নেওয়া হয়েছে ঢাকায়
ওটিএন বাংলা ডেস্ক : খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে সোহেল শেখ (৩৬) নামে এক ছাত্রদল নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি উপজেলার ৭ নম্বর আমিরপুর ইউনিয়ন…
দিনাজপুরের পার্বতীপুরে জমি নিয়ে বিরোধের মীমাংসায় আয়োজিত সালিশ বৈঠকে শিক্ষক মনোরঞ্জন রায়কে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু সম্মিলন সংঘ। এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক চিকিৎসক মৃত্যুঞ্জয় কুমার রায়, যিনি ডা. এম কে রায় নামে পরিচিত, এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, গত রোববার (২৫ অক্টোবর) দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলায় জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য একটি সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বৈঠকে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে পরিস্থিতি শান্ত করতে এবং বিরোধ মেটাতে এগিয়ে যান সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষক মনোরঞ্জন রায় (৫৫)। এ সময় প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তিনি নৃশংসভাবে নিহত হন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ হিন্দু সম্মিলন সংঘের পক্ষ থেকে বলা হয়, সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও বিরোধ মীমাংসার উদ্দেশ্যে সালিশে মধ্যস্থতা করতে যাওয়া একজন শিক্ষককে এভাবে পিটিয়ে হত্যা করা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এ ঘটনা শুধু একটি হত্যাকাণ্ড নয়, বরং সভ্য সমাজ, আইনের শাসন এবং মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক চেতনার ওপর সরাসরি আঘাত।
সংগঠনটি এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সব ব্যক্তিকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে বিচার সম্পন্ন এবং দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে নিহত শিক্ষক মনোরঞ্জন রায়ের শোকসন্তপ্ত পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পার্বতীপুরসহ সারা দেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ভূমি দখল ও নির্যাতন বন্ধে এবং তাঁদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনকে কঠোর ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।
শিক্ষক মনোরঞ্জন রায় হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, রংপুর বিভাগীয় কমিশনার, দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে সংগঠনটি।
বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ হিন্দু সম্মিলন সংঘ নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, অসাম্প্রদায়িকতা ও মানবতায় বিশ্বাসী সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করেছে। সংগঠনটি আগে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট নামে পরিচিত ছিল বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au