বাংলাদেশ

ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা

আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে ফেরানোর দাবি নিয়ে জাতিসংঘের দ্বারস্থ শেখ হাসিনা

  • 6:29 am - October 28, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৭২ বার
শেখ হাসিনা। ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং দলটিকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিয়ে নতুন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের দাবিতে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞদের কাছে আবেদন করেছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইনজীবীরা। দলটির নির্বাচনে অংশগ্রহণের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকায় ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক ছিল না বলে অভিযোগ করেছেন শেখ হাসিনা।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক আইনজীবী প্রতিষ্ঠান ম্যাট্রিক্স চেম্বার্সের ২৭ অক্টোবর প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিবৃতি অনুযায়ী, জাতিসংঘের তিনজন বিশেষজ্ঞের কাছে পাঠানো যোগাযোগপত্রে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় দলটির অংশগ্রহণের অধিকার নিয়ে উদ্বেগ তুলে ধরা হয়েছে।

শেখ হাসিনার অভিযোগ, আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে অংশ নিতে না দেওয়ায় বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা সুসংহত করার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাঁর দাবি, দেশের একটি বড় রাজনৈতিক দল এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোকে আইনগতভাবে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বাইরে রাখলে জনগণের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ কার্যত ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়। এতে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়।

আবেদনটি এমন এক সময়ে করা হলো, যখন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম ও নির্বাচনে অংশগ্রহণের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা পরবর্তী বিএনপি সরকারও বহাল রেখেছে এবং তা আনুষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে বলে ম্যাট্রিক্স চেম্বার্সের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। শেখ হাসিনার আইনজীবীরা এ পরিস্থিতিতে দলটিকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

আবেদনে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞদের কাছে বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে প্রকাশ্য বিবৃতি দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়ার বিষয়ে বিএনপি সরকারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।

চারটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বিধান লঙ্ঘনের অভিযোগ

শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে জাতিসংঘের কাছে পাঠানো যোগাযোগপত্রে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারবিষয়ক চুক্তির (আইসিসিপিআর) চারটি ধারার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

এর মধ্যে রয়েছে চুক্তির ১৯ নম্বর অনুচ্ছেদ, যেখানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে; ২১ নম্বর অনুচ্ছেদ, যেখানে শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার স্বীকৃত; ২২ নম্বর অনুচ্ছেদ, যেখানে সংগঠন করার স্বাধীনতা সুরক্ষিত; এবং ২৫ নম্বর অনুচ্ছেদ, যেখানে রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।

যোগাযোগপত্রে যুক্তি দেওয়া হয়েছে, আওয়ামী লীগের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার পক্ষে যথাযথ ও বৈধ কারণ নেই। নিষেধাজ্ঞাটি প্রয়োজনের তুলনায় অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং এর বিরুদ্ধে কার্যকর সুরক্ষা বা প্রতিকার পাওয়ার পর্যাপ্ত ব্যবস্থাও নেই বলে দাবি করেছেন শেখ হাসিনার আইনজীবীরা।

তাঁদের বক্তব্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক দলটির কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা শুধু দলটির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডকেই প্রভাবিত করছে না, বরং সমর্থকদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণের সুযোগও সীমিত করছে। ফলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়টি প্রশ্নের মুখে পড়েছে বলে যোগাযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ শেখ হাসিনা ও তাঁর আইনজীবীদের পক্ষ থেকে উত্থাপন করা হয়েছে। জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা এসব অভিযোগের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত দিয়েছেন কি না, কিংবা নিষেধাজ্ঞার আইনগত বৈধতা নিয়ে তাঁদের আনুষ্ঠানিক অবস্থান কী, তা ম্যাট্রিক্স চেম্বার্সের বিবৃতিতে জানানো হয়নি।

আওয়ামী লীগ সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগ

আবেদনে আওয়ামী লীগের সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগও তুলে ধরা হয়েছে। শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে দলটির আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা এবং বাংলাদেশের আদালতে নিষেধাজ্ঞাকে চ্যালেঞ্জ করার উদ্যোগ নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

যোগাযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে, রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও দলটির সমর্থকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় দেশের অভ্যন্তরে আইনি প্রতিকার চাওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বিশেষজ্ঞদের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন শেখ হাসিনা।

তাঁর আইনজীবীদের বক্তব্য, একটি রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনের বাইরে রেখে অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন সম্ভব নয়। এ কারণে আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা এবং দলটিকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

জাতিসংঘের তিন বিশেষজ্ঞের কাছে আবেদন

শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে জাতিসংঘের তিনজন বিশেষজ্ঞের কাছে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। তাঁরা হলেন সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার ক্ষেত্রে মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতার সুরক্ষা এবং প্রসারের বিষয়ে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক; শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও সংগঠন করার স্বাধীনতার অধিকারবিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদক; এবং গণতান্ত্রিক ও ন্যায়সংগত আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার বিষয়ে জাতিসংঘের স্বাধীন বিশেষজ্ঞ।

ম্যাট্রিক্স চেম্বার্সের বিবৃতি অনুযায়ী, বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো যোগাযোগপত্রে বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানিয়ে প্রকাশ্য বিবৃতি দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক ও স্বাধীন বিশেষজ্ঞরা তাঁদের নির্ধারিত দায়িত্বের আওতায় বিভিন্ন দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে পারেন, সংশ্লিষ্ট সরকারের কাছে উদ্বেগ জানাতে পারেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী প্রকাশ্য বক্তব্য দিতে পারেন। তবে তাঁদের কাছে আবেদন করা মানেই জাতিসংঘের পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বা আবেদনকারীর দাবির পক্ষে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে, এমন নয়।

এই আবেদনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার পক্ষ মূলত আওয়ামী লীগের নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রশ্নটিকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আলোচনায় তুলে ধরতে চাইছে। দলটির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ, ভোটাধিকার এবং বাংলাদেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সব রাজনৈতিক পক্ষের অংশগ্রহণের বিষয়টি এখন এ আবেদনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।

বিএনপি সরকারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ তৈরির চেষ্টা

আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকায় দলটির নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই বলে শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে নতুন নির্বাচন আয়োজন এবং আওয়ামী লীগকে তাতে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার জন্য বিএনপি সরকারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ তৈরিই আবেদনের অন্যতম লক্ষ্য।

শেখ হাসিনার অভিযোগ, আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে অনুষ্ঠিত নির্বাচনকে পূর্ণাঙ্গ অর্থে অংশগ্রহণমূলক বলা যায় না। তাঁর আইনজীবীরা মনে করছেন, রাজনৈতিক প্রতিযোগিতায় একটি বড় দলকে বাইরে রেখে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা সুসংহত করা কঠিন হবে।

তবে নতুন নির্বাচন আয়োজনের দাবি ও আওয়ামী লীগের নির্বাচনে অংশগ্রহণের অধিকার নিয়ে বিতর্কের পাশাপাশি দলটির ওপর নিষেধাজ্ঞার আইনগত ভিত্তি, নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার কারণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো যোগাযোগপত্রে এসব বিষয়ে শেখ হাসিনার পক্ষের বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু আবেদনটির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সরকার বা জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ার কথা প্রকাশিত বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়নি।

ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা শেখ হাসিনার

এদিকে, আগামী ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন শেখ হাসিনা। ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তিনি দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যান। এরপর থেকে তিনি ভারতেই অবস্থান করছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে তাঁর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের সাজা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশে ফেরার ঘোষণা এবং আওয়ামী লীগের নির্বাচনে অংশগ্রহণের দাবিতে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞদের কাছে আবেদন, দুটিই তাঁর বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।

শেখ হাসিনার আইনজীবীদের এই উদ্যোগের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা, দলটির নির্বাচনে অংশগ্রহণের অধিকার এবং বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্তিমূলক চরিত্র নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।

তবে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা আবেদনটির ভিত্তিতে কী পদক্ষেপ নেবেন, বাংলাদেশের সরকারকে কোনো বার্তা দেবেন কি না কিংবা নতুন নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে কোনো আহ্বান জানাবেন কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। একইভাবে, এ আবেদনের ফলে আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার বা নতুন নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে কোনো তাৎক্ষণিক পরিবর্তন আসবে কি না, সে সম্পর্কেও নিশ্চিত হওয়ার মতো তথ্য নেই।

সব মিলিয়ে, আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং দলটিকে অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়ে নতুন নির্বাচন আয়োজনের দাবি নিয়ে শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে জাতিসংঘের দ্বারস্থ হওয়া বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক বিতর্ককে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার পরিসরে তুলে ধরেছে। এখন এ আবেদনের বিষয়ে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ এবং বাংলাদেশ সরকারের প্রতিক্রিয়া কী হয়, তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সুত্রঃ নিউজ১৮

এই শাখার আরও খবর

বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর শেষ বিদায়েও বাধা: আমরা কোন বাংলাদেশের পথে?

​বাংলাদেশের স্বাধীনতা কোনো আকস্মিক প্রাপ্তি নয়। লাখো শহীদের আত্মত্যাগ, অসংখ্য মা-বোনের সম্ভ্রমহানি এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অসীম সাহস ও ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি। ১৯৭১…

ক্ষতসহ দীর্ঘ সময় জীবিত ছিলেন সাগর-রুনি, ১৪ বছরেও শনাক্ত হয়নি দুই অজ্ঞাত ব্যক্তির ডিএনএ

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের ১৪ বছর পরও অপরাধী শনাক্ত ও হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটন করতে পারেনি তদন্তকারী সংস্থা। ঘটনাস্থলে পাওয়া দুই অজ্ঞাতনামা…

যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের প্রতিরক্ষা প্রতিনিধির সঙ্গে বাংলাদেশি সামরিক কর্মকর্তার বৈঠক, যা জানা যাচ্ছে

বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের (এএফডি) সামরিক গোয়েন্দা পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার হাসান মাহমুদের সঙ্গে দুই দিনে পৃথক বৈঠক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের এক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা এবং চীনের…

ঢামেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, মরদেহ ও রোগী নিতে চরম ভোগান্তি

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পার্কিংয়ের দাবিতে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের ধর্মঘট চলছে। এতে হাসপাতাল থেকে গুরুতর অসুস্থ রোগীকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর এবং মৃত ব্যক্তির মরদেহ…

ময়মনসিংহে এবার আরেক হিন্দু যুবক রবেন্দ্র ঋষিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

ময়মনসিংহের ভালুকায় সেলুনে ঢুকে রবেন্দ্র ঋষি নামে এক নরসুন্দরকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার জামিরদিয়া এলাকার মুক্তিযোদ্ধা মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা…

ভারতীয় গোয়েন্দার সঙ্গে বৈঠক কেন অস্বীকার করছে জামায়াত

ভারতের উচ্চপর্যায়ের এক গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের গোপন বৈঠকের অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au