শ্রমিক আন্দোলনের নেপথ্যে আওয়ামী লীগ, চাপে সরকার?
ওটিএন বাংলা রিপোর্ট : পোশাকশ্রমিকদের ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে শুরু হওয়া আন্দোলন চতুর্থ দিনেও থামেনি। রাজধানীর মিরপুর, সাভার-আশুলিয়া ও গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে বিক্ষোভ, সড়ক…
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে কোনো সংঘাত চায় না সংযুক্ত আরব আমিরাত। তবে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে আবারও যুদ্ধ শুরু হলে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে দেশটি।
সোমবার (২ নভেম্বর) বাহরাইনের রাজধানী মানামায় এক সম্মেলনে এ কথা জানান আমিরাতের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাস।
তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করছি, এই সংঘাত নিরসনে কূটনৈতিকভাবে বড় ধরনের অগ্রগতি আসবে। এ অঞ্চল আরেকটি যুদ্ধে জড়াতে চায় না। তবে অতীতের মতো এবারও আমরা সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছি।’
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক তৎপরতাও চলছে। গত সপ্তাহে ইরানের রাজধানী তেহরানে যান কাতারের প্রতিনিধিরা। ওই সফরে ইরানি প্রতিনিধিদের দোহায় নেওয়ার বিষয়ে সম্মত হন তাঁরা। এরপর গত শুক্রবার থেকে রোববার পর্যন্ত ইরানি প্রতিনিধিরা কাতারের রাজধানী দোহায় অবস্থান করেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মধ্য দিয়ে সংঘাতের সূচনা হয়। এর জবাবে বাহরাইন, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে পাল্টা হামলা চালায় ইরান। এসব হামলার মধ্যে আমিরাতেই সবচেয়ে বেশি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পাশাপাশি ইরানে সরাসরি হামলায় আমিরাত জড়িত ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। তবে শুরু থেকেই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে দেশটি।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে কোনো ধরনের সহায়তা করা হলে আমিরাতসহ আঞ্চলিক অন্যান্য দেশকে পাল্টা হামলার মুখে পড়তে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।
এমন পরিস্থিতিতে আগামীকাল যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে নতুন করে হামলা চালাতে পারে মার্কিন বাহিনী, এমন আশঙ্কাও করা হচ্ছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
সূত্র: আল-আরাবিয়া
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au