ভারত-দক্ষিণ এশিয়ার বাড়তি চাহিদায় নতুন আশার আলো দেখছে অস্ট্রেলিয়ার খনি খাত
মেলবোর্ন, ১৬ জুন- চীনের ইস্পাত শিল্পে দীর্ঘস্থায়ী মন্দার প্রভাব যখন বৈশ্বিক কাঁচামাল বাজারে চাপ সৃষ্টি করছে, তখন ভারত ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্রুত বর্ধনশীল ইস্পাত শিল্পকে…
মেলবোর্ন, ৬ জুলাই- ইসরায়েলের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাত শুরুর পর এই প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে উপস্থিত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। শনিবার তেহরানের ইমাম খোমেইনি মসজিদে পবিত্র আশুরা উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাঁকে দেখা গেছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, খামেনি মসজিদে আসা মানুষের অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন এবং শীর্ষ ধর্মীয় নেতা মাহমুদ কারিমিকে দেশাত্মবোধক গান ‘ও ইরান’ গাইতে উৎসাহিত করছেন।
এর আগে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাতের সময় তাঁকে সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল একটি রেকর্ড করা ভিডিও বার্তায়। তখন গুঞ্জন ছড়ায়, তিনি বাংকারে আত্মগোপন করে আছেন। ওই সংঘাতে ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা ও পরমাণুবিজ্ঞানী নিহত হন।
গত ১৩ জুন ইসরায়েল হঠাৎ করে ইরানের পারমাণবিক ও সামরিক স্থাপনায় হামলা চালায়। পাল্টা জবাবে ইরানও ইসরায়েলের দিকে হামলা করে। পরে ২২ জুন ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রও হামলায় জড়িয়ে পড়ে। যুক্তরাষ্ট্র ১২৫টি সামরিক বিমান ব্যবহার করে ফোর্দো, নাতাঞ্জ ও ইসফাহান পারমাণবিক কেন্দ্রে আঘাত হানে। এই সংঘাত টানা ১২ দিন ধরে চলে, যেখানে ইরানের বিচার বিভাগের তথ্য অনুযায়ী ৯ শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন।
গতকাল খামেনির সরাসরি জনসমক্ষে আসা ইরানি সংবাদমাধ্যমে প্রধান খবর হয়ে উঠে। টেলিভিশন সম্প্রচারে তাঁকে দেখে তাঁর সমর্থকেরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন—এমন দৃশ্যও প্রচারিত হয়।
এর আগে, ২৬ জুন প্রচারিত এক রেকর্ড করা বক্তব্যে খামেনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আহ্বান সত্ত্বেও ইরান ইসরায়েলের কাছে আত্মসমর্পণ করবে না।
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে শত্রুতা নতুন নয়; মূলত ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তার এবং হিজবুল্লাহ-হামাসের মতো গোষ্ঠীগুলোকে ইরানের সমর্থনকে কেন্দ্র করে এই বিরোধ দীর্ঘদিনের। ইসরায়েল মনে করে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি তার অস্তিত্বের জন্য সরাসরি হুমকি। তাই ইসরায়েল আগে থেকেই ইরানি স্থাপনা ও বিজ্ঞানীদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে আসছিল।
২০২৫ সালের জুনে এই সংঘাত নতুন মাত্রা পায়, যখন ইসরায়েল ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্রগুলোতে হামলা চালায়। এর জবাবে ইরানও ইসরায়েলে পাল্টা হামলা করে। পরে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি যুক্ত হয়ে ইরানের স্থাপনাগুলোতে বড় ধরনের বিমান হামলা চালায়। এই সংঘাত টানা ১২ দিন চলে এবং ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়, এতে ৯ শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে।
পুরো ঘটনার পেছনে আছে দুই দেশের পারমাণবিক ও রাজনৈতিক শত্রুতা, আঞ্চলিক প্রভাবের লড়াই এবং মধ্যপ্রাচ্যের জটিল ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা।
সুত্রঃ রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au