বাংলাদেশ

জাপানে বাংলাদেশিদের জন্য ১ লক্ষ কর্মীর সুবর্ণ সুযোগ — কিন্তু প্রস্তুতি ছাড়া নয়

  • 11:40 am - July 14, 2025
  • পঠিত হয়েছে:৪৩ বার
টোকিও, জাপান – আকাশছোঁয়া আধুনিকতার শহর- ছবি: Derrick Brutel (CC BY)

মেলবোর্ন, ১৪ জুলাই- আজকের আধুনিক জাপানকে দেখলে মনে হতে পারে, যেন কোনো সায়েন্স-ফিকশন সিনেমার কাহিনি। বিশ্বের অন্যতম ধনী, উন্নত ও প্রযুক্তিবান্ধব দেশটি এখন সবচেয়ে বড় সংকটে—অবিরাম জনসংখ্যা হ্রাস।

জাপানিরা গড়ে ৮৫ বছর বাঁচে—বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘায়ু জাতির একটি। দেশটিতে রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম মহানগরী, টোকিও। কিন্তু এই প্রজন্মের চেনা ছবিটা ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে। গত ১৫ বছর ধরে জাপানের জনসংখ্যা ক্রমাগত কমছে। শুধু গত বছরই প্রতিটি শিশুর জন্মের বিপরীতে দুইজনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই হারে চলতে থাকলে এই শতাব্দীর শেষে জাপানের জনসংখ্যা অর্ধেকে নেমে আসবে।

জাপানের জাতীয় সংসদের অভিজ্ঞ মন্ত্রী তারো কোনো এই সমস্যাকে দেশের সবচেয়ে বড় জরুরি সংকট হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ২০২১ সালে অল্পের জন্য প্রধানমন্ত্রী হতে না পারা কোনো আবারও দেশের শীর্ষপদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পরিকল্পনা করছেন। তাঁর মতে, জনসংখ্যা হ্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।

কোনো স্পষ্ট করে বলেছেন—

নতুন প্রজন্মের সংখ্যা ক্রমশ কমে যাচ্ছে। তাদের ওপরই সমস্ত বোঝা চাপছে। এই প্রজন্ম এই বোঝা বহন করতে পারবে না। সমাজ ভেঙে যাবে। অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়বে।”

এই সংকটের প্রভাব ইতিমধ্যেই স্পষ্ট—গত বছর জাপানের সেনাবাহিনী প্রয়োজনের অর্ধেক সেনাও নিয়োগ করতে পারেনি। প্রায় সব শিল্পেই শ্রমিক সংকট এখন তীব্র। সরকারি বিভাগেও লোকবল সংকট দিন দিন বাড়ছে। বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি হওয়া সত্ত্বেও এই ধারা অব্যাহত থাকলে জাপান অর্থনৈতিক সক্ষমতা ধরে রাখতে পারবে না বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই।

জাপানের এই বাস্তবতা প্রমাণ করে—উন্নত প্রযুক্তি আর অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি থাকলেও, মানবসম্পদের ঘাটতি কোনো দেশকেই টেকসই রাখতে পারে না।  জাপান এই সংকটে নতুন সমাধান খুঁজছে—বিদেশি কর্মী নিয়োগ বাড়ানো, জন্মহার বাড়াতে প্রণোদনা, প্রযুক্তির ওপর নির্ভরতা বাড়ানো।

ঠিক এমন পরিস্থিতিতে জাপান সরকারের সাম্প্রতিক ঘোষণায় বলা হয়েছে, আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে ১ লক্ষ কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। যারা আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার পর্যবেক্ষণ করেন, তাদের কাছে এটি অবাক হওয়ার খবর নয়। বরং এটি প্রমাণ করছে—জাপান জনসংখ্যার সংকটে পড়েছে।

আর একটি তথ্য মনে রাখা জরুরি—জাপানে প্রায় ৩০% মানুষ ৬৫ বছরের বেশি বয়সী, আর জন্মহার দ্রুত নিম্নমুখী। ফলে এই দেশে শ্রমশক্তির চাহিদা অচিরেই মহাসমুদ্রে পরিণত হবে। বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য এটি একটি স্বর্ণালি সুযোগ। 

কিন্তু প্রশ্ন হলো—আমরা কি প্রস্তুত?

গত ৯ মার্চ ২০২৫ প্রথম আলোয় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক তরুণ-তরুণী রয়েছেন, যারা কোনো পড়াশোনা, কাজ কিংবা কোনো ধরনের প্রশিক্ষণেও যুক্ত নন। এ ধরনের মানুষের সংখ্যা প্রায় এক কোটি। এদের বয়সসীমা ১৫ থেকে ২৯ বছরের মধ্যে। সাধারণত এই বয়সের মানুষ শিক্ষাজীবন, কর্মজীবন বা দক্ষতা উন্নয়নের প্রশিক্ষণে ব্যস্ত থাকার কথা। কিন্তু এই বিশাল জনগোষ্ঠী এই তিনটির কোনোটির সাথেই জড়িত নন।

তাদের বলা হয় ‘ছদ্মবেকার’। ২০২২ সালের শ্রমশক্তি জরিপের তথ্য অনুযায়ী, দেশে এমন নিষ্ক্রিয় অবস্থায় থাকা তরুণ-তরুণীর সংখ্যা ৯৬ লাখ ৪০ হাজার। এর মধ্যে ১৫ থেকে ২৫ বছর বয়সীদের সংখ্যা প্রায় ৪১ লাখ।

গত এক দশক ধরেই এই ধরনের ছদ্মবেকারের সংখ্যা প্রায় এক কোটি পর্যায়ে ঘুরছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে আনুষ্ঠানিক সংজ্ঞা অনুযায়ী বেকার আছেন প্রায় ২৭ লাখ মানুষ। এই বেকারের সঙ্গে যদি ছদ্মবেকারদেরও যোগ করা হয়, তাহলে বলা যায়, দেশে কার্যত সোয়া এক কোটি মানুষের কোনো কর্মসংস্থান বা উৎপাদনমুখী সম্পৃক্ততা নেই।

ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন, চীনের শ্রমিকরা এই বাজারের সিংহভাগ দখল করছে। অথচ আমাদের জনশক্তি আরও বেশি। এখনো সময় আছে, এই ১ লক্ষ কর্মীর চাহিদা পূরণে বাংলাদেশে থাকা এই সোয়া এক কোটি মানুষের মধ্যে যারা প্রস্তুত, তারাই জাপানের সাথে কর্মী নিয়োগের চুক্তিতে টিকে থাকবেন। যেকোনোভাবে জাপান যেতে চাইলে নয়, বরং পরিশ্রম করে, সঠিক প্রশিক্ষণ নিয়ে, ভাষা শিখে, শৃঙ্খলার সাথে এগোতে হবে।

আজকের এই সম্পাদকীয়তে কিছু বাস্তব পরামর্শ তুলে ধরতে চাই:

ভাষা শিখুন।
জাপানে কাজ করতে গেলে জাপানি ভাষার প্রাথমিক জ্ঞান অপরিহার্য। কারণ সেখানে প্রতিদিনের যোগাযোগ, কর্মক্ষেত্রের নির্দেশনা, সহকর্মীদের সঙ্গে বোঝাপড়া—সবকিছুই এই ভাষার ওপর নির্ভর করে।

বিশেষ করে যারা অটো পার্টস উৎপাদন, জাহাজ নির্মাণ (শিপবিল্ডিং), হসপিটালিটি বা বৃদ্ধসেবা (কেয়ারগিভিং) খাতে কাজ করতে চান, তাদের জন্য N5 বা N3 পর্যায়ের ভাষাজ্ঞান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

N5 লেভেল কী?
এটি জাপানি ভাষার প্রাথমিক স্তর।
যেমন:সহজ দৈনন্দিন বাক্য বোঝা, নিজের পরিচয় দেওয়া, দোকানে জিনিস কেনা, রুটিন কাজের কথা বলা, সহকর্মীর নির্দেশনা বুঝতে পারা।

 

N3 লেভেল কী?
এটি মধ্যম বা তৃতীয় লেভেলের স্তর। যেমন:দৈনন্দিন আলোচনায় অংশ নেওয়া, সংবাদপত্র বা সাধারণ খবর পড়ে বোঝা, মিটিংয়ে সহজ কথোপকথন করতে পারা। 

যারা N5 বা N3 পর্যায়ের সার্টিফিকেট অর্জন করেছেন, তাদের চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। তাই জাপানে যেতে ইচ্ছুক হলে সবার আগে ভাষা শেখার পরিকল্পনা শুরু করুন। এখন বাংলাদেশেই জাপানি ভাষার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আছে, চাইলে অনলাইন কোর্সও করতে পারেন। মনে রাখুন—ভাষা আপনার সাফল্যের চাবিকাঠি।

পেশাগত দক্ষতা বাড়ান

শুধু “যাবো” বা “যেভাবেই হোক চলে যাব” এই চিন্তা থেকে বেরিয়ে আসুন। বিদেশে গিয়ে কাজ করতে হলে শুধু ইচ্ছা নয়, দক্ষতা এবং প্রস্তুতি অপরিহার্য। আপনি যে ক্ষেত্রেই কাজ করতে চান, সেই পেশার উপযুক্ত দক্ষতা আগে থেকেই শিখে নিন। উদাহরণস্বরূপ—

ওয়েল্ডিং (Welding):
জাপানের শিপবিল্ডিং, কারখানা এবং বড় নির্মাণ প্রকল্পে দক্ষ ওয়েল্ডারের চাহিদা অনেক বেশি। যদি আপনি ভালো ওয়েল্ডিং জানেন এবং হাতে কলমে অভিজ্ঞতা থাকে, তাহলে সহজেই ভালো বেতনের চাকরি পাবেন। এজন্য বাংলাদেশে টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার বা কারিগরি ইনস্টিটিউট থেকে ৬ মাস বা ১ বছরের কোর্স করে সার্টিফিকেট নিতে পারেন।

কেয়ারগিভিং (Caregiving):
জাপানে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা অনেক। তাই বৃদ্ধসেবা ও কেয়ারগিভিংয়ে প্রচুর কর্মীর প্রয়োজন হয়। যদি আপনি বেসিক নার্সিং, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা বা বৃদ্ধসেবার কাজ শিখে রাখেন, আপনার গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে। কেয়ারগিভিং প্রশিক্ষণ থাকলে নিয়োগকর্তারা বেশি আস্থা রাখেন।

কনস্ট্রাকশন (Construction):
বিল্ডিং, রাস্তা নির্মাণ ও মেরামত খাতে দক্ষ মজুর প্রয়োজন। এখানে সেফটি প্রটোকল, মেশিন ব্যবহার ও সিমেন্ট-রডের কাজ জানতে হয়। কিছু বেসিক ট্রেনিং নিয়ে গেলে জাপানি ঠিকাদারদের কাছে আপনার যোগ্যতা প্রমাণ হবে।

রেস্টুরেন্ট সেবা (Hospitality & Restaurant Service):
রেস্টুরেন্টে কাজের জন্য ভদ্র আচরণ, খাবার পরিবেশনা, স্যানিটেশন নিয়ম জানা জরুরি।
এই খাতে কাজ করলে জাপানি শিষ্টাচার ও রেস্তোরাঁর নিয়ম শিখে নিন। আপনার পেশাগত দক্ষতা আপনার সবচেয়ে বড় পরিচয়।

 যখন কোনো নিয়োগকর্তা আপনার সিভি দেখবেন, তখন তিনি দেখবেন: আপনার কি এই কাজের প্রমাণিত দক্ষতা আছে? কোন প্রশিক্ষণ বা অভিজ্ঞতার সনদপত্র আছে? আপনার হাতে-কলমে কাজের অভিজ্ঞতা কেমন?

যত বেশি দক্ষতা অর্জন করবেন, তত বেশি সম্মান, বেতন এবং স্থায়ী কাজের নিশ্চয়তা পাবেন।

আবেদনে সততা ও বৈধতা বজায় রাখুন।
বিদেশে কাজের সুযোগ মানে জীবন পাল্টে ফেলার সম্ভাবনা। কিন্তু সেই সুযোগের পেছনে ছোটার সময় অনেকেই ভুল পথে বা ফাঁদে পড়ে যান। তাই মনে রাখবেন—সঠিক ও বৈধ প্রক্রিয়া ছাড়া বিদেশে কাজের চেষ্টা করা বিপদ ডেকে আনে। কিছু দালাল বা এজেন্ট লোভ দেখাতে পারে, নানাভাবে কাগজের জ্বালিয়েতি করবে এগুলো থেকে সব সময় সাবধান থাকবেন।  জাপান অত্যন্ত নিয়মকানুন মানা দেশ। ওদের প্রশাসন সৎ, দক্ষ ও বৈধভাবে আসা কর্মীকে সম্মান ও সুবিধা দেয়।
যদি আপনার কাগজপত্র, প্রশিক্ষণ ও ভাষার যোগ্যতা সঠিক থাকে: আপনার ভিসা দ্রুত হবে, কাজের পরিবেশে আস্থা পাবেন, ভবিষ্যতে ভিসা নবায়ন ও স্থায়ী সুযোগের সম্ভাবনা তৈরি হবে।

মনে রাখবেন—অল্প সময়ে shortcut খুঁজতে গিয়ে জীবনের বড় সুযোগ হারাবেন না। সঠিক প্রশিক্ষণ, ভাষা শিক্ষা ও বৈধ প্রক্রিয়াই আপনার সাফল্যের একমাত্র সঠিক রাস্তা। সততা, শৃঙ্খলা ও পরিশ্রম—এই তিনটি গুণই আপনাকে আলাদা করবে।

জাপানের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানুন এবং শিখুন।
জাপানে শুধু কাজ জানলেই হবে না—সেখানে কিভাবে আচরণ করতে হয়, কীভাবে কথা বলতে হয়, কীভাবে অন্যদের সম্মান দেখাতে হয়, তা জানা খুবই জরুরি।  জাপানিরা শিষ্টাচার, সময়ানুবর্তিতা আর সৌজন্যবোধকে জীবনের অংশ মনে করে। কথোপকথনে নম্রতা, সময়মতো উপস্থিত হওয়া, নিজের বসার জায়গা, খাবারের স্থান সব সময় পরিপাটি রাখা, কাজের জায়গায় নির্দিষ্ট নিয়মকানুন কঠোরভাবে মানা, উচ্চস্বরে তর্ক করা অশোভন আচরণ থেকে বিরত থাকা, শান্ত, সংযত ও সম্মানসূচক আচরণ করা – এই বিষয়গুলো আয়ত্ত করা শিখতে হবে।

একটি কথা সবার মনে রাখা দরকার—বিদেশে যাওয়া মানে শুধু টাকা রোজগার নয়। নিজের জাতির পরিচয় নিয়ে দায়িত্ববান নাগরিক হয়ে সুনাম কুড়ানো। প্রায়শই দেখা যায়, কিছু বাংলাদেশি শ্রমিক অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে। এতে দেশ ও জাতির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়। দয়া করে সেই ভুল আর করবেন না।

জাপানে ১ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থানের খবর কেবল আনন্দের নয়, এটি একটি জাতীয় প্রস্তুতির ডাক। আমাদের তরুণরা যদি এখনই সঠিক প্রশিক্ষণ, ভাষা শিক্ষা ও শৃঙ্খলায় নিজেদের গড়ে তোলেন, তাহলে এই সুযোগকে বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম সাফল্যের গল্পে পরিণত করা সম্ভব। 

সম্পাদকীয় – প্রদীপ রায়, সম্পাদক, ওটিএন বাংলা

এই শাখার আরও খবর

মুন্সীগঞ্জে হিন্দু নারী কবিরাজ হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, প্রতিবেশী মীর হোসেন গ্রেপ্তার

মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানে হিন্দু নারী ও স্থানীয়ভাবে পরিচিত কবিরাজ রেখা রাণী রায় হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। দীর্ঘদিন…

ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ফুল দিতে এসে গ্রেপ্তার ৪, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা

মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ফুল দিতে এসে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন চারজন। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দিয়ে আদালতে…

এশিয়ান কাপ শেষে ইরানে ফেরা নিয়ে শঙ্কায় নারী ফুটবলাররা, অস্ট্রেলিয়ায় সুরক্ষার দাবি জোরালো

মেলবোর্ন, ৭ মার্চ: ২০২৬ নারী এশিয়ান কাপ খেলতে অস্ট্রেলিয়ায় থাকা ইরানের নারী ফুটবল দলকে ঘিরে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানবাধিকারকর্মী, ইরানি-অস্ট্রেলীয় কমিউনিটি এবং খেলোয়াড়দের অধিকার…

তেহরান ও ইসফাহানে ইসরায়েলের নতুন দফায় ‘ব্যাপক’ বিমান হামলা

মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের রাজধানী তেহরান ও গুরুত্বপূর্ণ শহর ইসফাহানে নতুন দফা ব্যাপক বিমান হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী…

প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে ক্ষমা চাইলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট, হামলা স্থগিতের ঘোষণা

মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে প্রতিবেশী দেশগুলোর উদ্দেশে দুঃখ প্রকাশ করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেছেন, ইরানের অন্য কোনো দেশে আগ্রাসন চালানোর…

আংশিক খুলছে কাতারের আকাশপথ, ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাংকারে লাখো ইসরায়েলি

মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনা ও সামরিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে কাতার সীমিত পরিসরে তাদের আকাশপথ আবার খুলে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au