কী বার্তা নিয়ে মস্কো গেলেন ট্রাম্পের দূতরা
ইউক্রেন সংঘাতের অবসানে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করতে রাশিয়ার রাজধানী মস্কো সফর করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুই প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার। তারা ক্রেমলিনে…
মেলবোর্ন, ১৫ জুলাই-
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, ইউক্রেনকে ‘প্যাট্রিয়ট’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহ করবে যুক্তরাষ্ট্র। একইসাথে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, রাশিয়া যদি ইউক্রেনে হামলা বন্ধ না করে এবং শান্তিচুক্তি না করে, তাহলে আগামী ৫০ দিনের মধ্যে রাশিয়ার পণ্যের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।
ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের এক বিশেষ দূত কিয়েভ সফর করেছেন। সেখানে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করে যুদ্ধ পরিস্থিতি, প্রতিরক্ষা সহায়তা এবং শুল্ক নীতিসহ নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন তিনি।
ট্রাম্প জানান, ইউক্রেনের জন্য এই প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যয় ইউরোপের মিত্র দেশগুলো বহন করবে। যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি অর্থায়ন করবে না। ট্রাম্প বলেন, “আমরা ইউক্রেনকে প্যাট্রিয়ট দিচ্ছি, কিন্তু এর খরচ ইউরোপীয় দেশগুলো দেবে।” শিগগিরই এই সরঞ্জাম পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে বলেও জানান তিনি।
একইসাথে তিনি বলেন, “যদি ৫০ দিনের মধ্যে রাশিয়া যুদ্ধ বন্ধ না করে, তাহলে রাশিয়ার পণ্যসহ সব কিছুর ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।” এই হুঁশিয়ারি মূলত রাশিয়ার অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে এবং পুতিনকে শান্তিচুক্তিতে রাজি করাতে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।
ট্রাম্পের এই ঘোষণার পর রাশিয়ার অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। মস্কোর শেয়ারবাজারে কিছুটা উত্থান হলেও রাশিয়ান রুবলের মান কিছুটা স্থিতিশীল হয়ে গেছে।
বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এই সিদ্ধান্ত ইউক্রেনকে সামরিকভাবে আরও শক্তিশালী করবে, রাশিয়ার ওপর অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধি করবে এবং যুদ্ধের ময়দানে পশ্চিমা দেশের সম্পৃক্ততাকে নতুন পর্যায়ে নিয়ে যাবে। তবে শেষ পর্যন্ত এই হুমকি ও সহায়তা রাশিয়াকে থামাতে কতটা কার্যকর হয়, তা সময়ই বলে দেবে।
সুত্রঃ রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au