‘ইরান তেল বিক্রি করতে না পারলে কেউ পারবে না’
মেলবোর্ন, ২৩ জুলাই: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন সামরিক হুমকির জবাবে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেছেন,…
মেলবোর্ন, ১৬ আগষ্ট- দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর ধরে চলা ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ বন্ধে বহুল প্রতীক্ষিত বৈঠক শুরু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায়। এতে মুখোমুখি হয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আন্তর্জাতিক মহলের নজর কাড়া এই বৈঠক শুক্রবার (১৫ আগস্ট) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১১টায় (বাংলাদেশ সময় রাত দেড়টা) শুরু হয়। প্রধান লক্ষ্য যুদ্ধের সমাপ্তি টেনে একটি টেকসই শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা খোঁজা।
বিবিসির খবরে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে রয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং রাশিয়াবিষয়ক মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। অপরদিকে, রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে আছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ এবং পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক উপদেষ্টা ইউরি উশাকভ।
বৈঠকের আগে সকালে আলাস্কার বিমানবন্দরে নেমে আসে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ বিমান ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’। কিছুক্ষণের মধ্যেই পুতিনকে বহনকারী বিমানও অবতরণ করে। লালগালিচায় দাঁড়িয়ে দুই নেতা করমর্দন ও হাসিমুখে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। হোয়াইট হাউসে দ্বিতীয় মেয়াদে ফেরার পর এটিই ট্রাম্প ও পুতিনের প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎ।
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে জানান, বৈঠকটি ন্যূনতম ছয় থেকে সাত ঘণ্টা চলবে এবং মস্কো আশা করছে এটি ‘ফলপ্রসূ’ হবে। রুশ রাষ্ট্রীয় টিভির প্রতিবেদনেও উল্লেখ করা হয়, আলোচনায় মূল ফোকাস থাকবে যুদ্ধবিরতি ও দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক সমাধান।
বৈঠকের সফলতা কীসে নির্ভর করবে এমন প্রশ্নে ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেন, “আমি ইউক্রেনের যুদ্ধ বন্ধ দেখতে চাই। আমি চাই যুদ্ধবিরতি। আজই যদি সেটি না হয়, আমি খুশি হব না। আমি হত্যাযজ্ঞ বন্ধ চাই।” তিনি আরও বলেন, “কীভাবে বৈঠক সফল হবে তা এখনই বলা সম্ভব নয়। তবে আমি জানি, এখনই কোনো কিছু নির্ধারিত নয়। আমার লক্ষ্য দ্রুত যুদ্ধবিরতি।”
ট্রাম্প অতীতেও ইউক্রেন যুদ্ধকে ‘রক্তপাতপূর্ণ সংকট’ আখ্যা দিয়েছেন এবং দ্রুত সমাপ্তির মাধ্যমে নিজেকে ‘বিশ্বশান্তির দূত’ হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছেন। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, যদি আলাস্কার বৈঠক ইতিবাচক ফল দেয়, তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে নিয়ে একটি ত্রিপাক্ষিক বৈঠক আয়োজন করা হবে, যা হবে আরও গুরুত্বপূর্ণ ও চূড়ান্ত সমাধানের পথে একটি বড় ধাপ।
এদিকে, আলাস্কার এই বৈঠককে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ইউরোপীয় অর্থনীতি ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে, আলোচনায় অগ্রগতি হলে তা বিশ্ব রাজনীতিতে একটি বড় মোড় ঘোরানোর ঘটনা হিসেবে দেখা হবে।
সুত্রঃ বিবিসি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au