প্রেস ব্রিফিংয়ে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট। ছবিঃ সংগৃহীত
মেলবোর্ন, ২০ আগষ্ট- ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রাশিয়াকে চাপে রাখতে ভারতের উপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) স্থানীয় সময় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, রাশিয়াকে ইউক্রেন সংঘাতে জড়ানো থেকে বিরত রাখতে ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর পূর্বঘোষিত ২৫ শতাংশ শুল্কের সঙ্গে আরও ২৫ শতাংশ যোগ করেন, ফলে শুল্ক দাঁড়ায় ৫০ শতাংশে। লিভিটের দাবি, এই পদক্ষেপ ছিল রাশিয়ার বিরুদ্ধে কূটনৈতিক চাপ বাড়ানোর অংশ।
লিভিট বলেন, “প্রেসিডেন্ট জনগণের পক্ষ থেকে যুদ্ধ বন্ধে শক্ত অবস্থান নিয়েছেন। ভারতকে লক্ষ্য করে শুল্ক ও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, এই যুদ্ধের অবসান তিনি দেখতে চান। অপেক্ষা করার পরামর্শ যারা দিয়েছিল, তাদের ধারণা তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন।”
এর আগে পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করার পর ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে তিনি যুদ্ধের সমাধানে ত্রিপক্ষীয় আলোচনার ইঙ্গিত দেন। হোয়াইট হাউসের দাবি, ট্রাম্পের উদ্যোগেই পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইউরোপীয় নেতারা যুক্তরাষ্ট্রে আসেন।
এছাড়া লিভিট বলেন, “যদি ট্রাম্প তখন প্রেসিডেন্ট থাকতেন, ইউক্রেন যুদ্ধ কখনো ঘটত না। এমনকি প্রেসিডেন্ট পুতিনও তা স্বীকার করেছেন।”
এক প্রশ্নের জবাবে লিভিট জানান, ট্রাম্প যদিও বর্তমানে প্রেসিডেন্ট নন, তবুও স্থায়ী শান্তির লক্ষ্যে ইউরোপীয় নেতাদের ও ন্যাটোর সঙ্গে আলাপ চালিয়ে যাচ্ছেন।
হোয়াইট হাউস আরও বলছে, ভারতের উপর শুল্ক আরোপের পেছনে আসল উদ্দেশ্য ছিল রাশিয়ার উপর “দ্বিতীয় চাপ” সৃষ্টি করা।
সূত্র: এনডিটিভি