শিগগিরই চালু হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত মিতালী এক্সপ্রেস ট্রেন, চলছে চূড়ান্ত প্রস্তুতি
মেলবোর্ন, ৩ জুলাই- প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পুনরায় আন্তদেশীয় ট্রেন চলাচল শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের…
মেলবোর্ন, ২৭ আগষ্ট- যুক্তরাষ্ট্রে ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরের মৃত্যুর ঘটনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাটবট ‘চ্যাটজিপিটি’কে দায়ী করে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী ছেলের মা–বাবা। তাঁরা ক্যালিফোর্নিয়ার সুপিরিয়র কোর্টে দায়ের করা মামলায় বলেছেন, ওপেনএআই ও এর প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যান তাঁদের ছেলের আত্মহত্যার জন্য দায়ী।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, মাত্র ছয় মাস ব্যবহারের মধ্যেই চ্যাটজিপিটি নিজেকে কিশোর অ্যাডাম রেইনের একমাত্র বন্ধু হিসেবে উপস্থাপন করে। এর ফলে তার বাস্তব জীবনের পরিবার, বন্ধু ও প্রিয়জনদের সঙ্গে সম্পর্ক দুর্বল হয়ে যায়। অভিযোগ অনুযায়ী, চ্যাটজিপিটি আত্মহত্যার পদ্ধতি জানাতে সহায়তা করে এবং আত্মহত্যার নোটের খসড়া লেখার প্রস্তাব দেয়। এমনকি এক পর্যায়ে কিশোরকে পরিবারের কাছে এসব চিন্তা গোপন রাখতে পরামর্শও দেয়।
এর আগে ফ্লোরিডার এক নারী একই ধরনের অভিযোগ এনে ‘ক্যারেকটার ডট এআই’ নামের আরেক এআই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। অভিযোগ ছিল, ওই এআই চ্যাটবট তাঁর ১৪ বছর বয়সী ছেলের আত্মহত্যায় ভূমিকা রেখেছে। পরবর্তী সময়ে আরও কয়েকটি পরিবার একই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করে, যেখানে আত্মহানি ও যৌনতা–সংশ্লিষ্ট কনটেন্টে কিশোরদের ঝুঁকির মুখে ফেলার অভিযোগ আনা হয়। এসব মামলার বিচার এখনো চলছে।
রেইন পরিবারের মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, চ্যাটজিপিটি তার নকশাগত বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী অ্যাডামের প্রতিটি চিন্তাকে সমর্থন ও উৎসাহিত করেছে, এমনকি আত্মহননের প্রবণতাকেও। এতে ছেলেটির মৃত্যুর জন্য এ চ্যাটবটকে দায়ী করেছেন তাঁর মা–বাবা।
এ বিষয়ে ওপেনএআইয়ের একজন মুখপাত্র বলেছেন, প্রতিষ্ঠানটি অ্যাডামের পরিবারের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করছে এবং অভিযোগগুলো পর্যালোচনা করছে।
চ্যাটজিপিটি বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত এআই চ্যাটবটগুলোর একটি। ওপেনএআই জানিয়েছে, এ মাসের শুরুতে সাপ্তাহিক সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৭০ কোটিতে পৌঁছেছে। তবে প্রতিষ্ঠানটি আগেই সতর্ক করেছিল, ব্যবহারকারীরা চ্যাটবটের সঙ্গে অতিরিক্ত আবেগঘন সম্পর্ক তৈরি করলে মানবিক সম্পর্ক দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
সম্প্রতি চালু হওয়া নতুন সংস্করণ জিপিটি–৫ নিয়েও মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া যাচ্ছে। কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন, এটি আগের তুলনায় কম বন্ধুত্বপূর্ণ এবং মাঝে মাঝে ভুল তথ্য দেয়। ফলে ওপেনএআই পেইড ব্যবহারকারীদের জন্য আগের সংস্করণ ব্যবহারের বিকল্পও রেখেছে।
সুত্রঃ সিএনএন
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au