রংপুরের চার খুন: তদন্তের কেন্দ্রে এখন পুলিশ কর্মকর্তা মাবুদ ও সনাতন
রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় তদন্তের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন আর শুধু কে গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা, মেয়ে আগমী ও ১২ বছরের ছেলে…
মেলবোর্ন ২৮-আগামী সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ভারত ও শ্রীলঙ্কার মাটিতে অনুষ্ঠিত হবে নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপের আসর। আসন্ন বিশ্বকাপকে সামনে রেখে চলতি সপ্তাহে বাংলাদেশ নারী দলের স্কোয়াড ঘোষণা করেছিল বিসিবি। দলে সুযোগ পাননি স্পিনার জান্নাতুল ফেরদৌস সুমনা। যদিও নারী দলকে বিশ্বকাপে তুলতে বড় ভূমিকা ছিল এই স্পিনারের।
গেল এপ্রিলে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে বাংলাদেশ দলের সেরা বোলার ছিলেন সুমনা। ৫ ম্যাচে ৯ উইকেট নেন তিনি, ওভারপ্রতি খরচ মোটে ৪.৪৫ রান। থাইল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে মাত্র ৭ রানে ৫ উইকেট নেন সুমনা। তবুও জায়গা হয়নি বিশ্বকাপ দলে। ফলে পুরোনো ঠিকানা আবারও সেই অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা তার।
গেল বছর অস্ট্রেলিয়া থেকে বাংলাদেশ দলের হয়ে নতুন শুরুর আশায় দেশে ফিরেছিলেন সুমনা। পরে ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো করে ৬ বছর পর আবার বাংলাদেশ জাতীয় দলে জায়গা করে নেন।
তবে বিশ্বকাপ দল ঘোষণার পর জায়গা না পাওয়ায় মন খারাপ হয়েছে। সুমনা বলেন, মন খারাপ যা হওয়ার তা তো হয়েছেই এর থেকে আসলে বেশি কিছু নেই। দেখেন চার বছর পরপর বিশ্বকাপ আসে প্রতিবছর আসে না। খারাপ তো অবশ্যই লেগেছে। যদি খারাপ না লাগে তাহলে তো আমি মানুষই না, মানুষের পর্যায়ে পড়ি না।
বিশ্বকাপ দলে না থাকায় পরবর্তী ক্যাম্পেও থাকা হচ্ছে না সুমনার। তাই অস্ট্রেলিয়াতেই ফিরে যাচ্ছেন তিনি, যেহেতু আপাতত আর খেলা নেই। হয়তো আমি অস্ট্রেলিয়াতে যাব, ওখানে প্রোপার ক্রিকেট লিগ খেলব। ক্লাবের সাথে কথা হচ্ছে ওভাবে, আমি প্ল্যান করছি পরের মাসের জন্য। এরপরে কখন আসব দেশে এটা আসলে সময়ই বলবে। সময়ের উপর ছেড়ে দিয়েছি এখন কিছু বলতে চাচ্ছি না।
কোচিংয়েও নিজেকে এগিয়ে রেখেছেন সুমনা। সে বিষয়ে জানালেন, আমি লেভেল টু কোর্স শেষ করেছি। এখনো যেহেতু খেলছি কোচ হবো কি হবো না, সেটা আসলে এখনই সিদ্ধান্ত নেইনি। তাই এখনই বলাটা কঠিন হবে। যেহেতু কোর্সটা করেছি কোথায় কোচিং করব বা কোথায় যাব কিংবা ক্রিকেটে থাকবো কি না এটা আসলে এখনই বলা কঠিন। সবকিছু মিলে পরিস্থিতি কি হবে তারপর সিদ্ধান্ত নিব।
এর আগে ২০১৮ সালে প্রথম দফায় জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক হয় সুমনার। সেই সময়ে দুটি ওয়ানডে ও একটি টি-টোয়েন্টি খেলার পর আর জাতীয় দলের হয়ে দেখা যায়নি তাকে। পরে তিনি চলে যান অস্ট্রেলিয়ায়, সেখানে নাম লেখান ক্লাব ক্রিকেটে। সিডনির গ্রেড ক্রিকেট পেরিয়ে খেলেছেন সেখানকার জাতীয় নারী ক্রিকেট লিগেও।
খেলার বাইরে এগিয়েছেন কোচিংয়েও। অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটার হিসেবে কোচিংয়ে ‘লেভেল টু’ সার্টিফিকেটও অর্জন করেছেন সুমনা। এর আগে দেশের ঘরোয়া সবশেষ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) শেলটেক ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে ৮ ম্যাচে ২১ উইকেট নিয়ে ছিলেন আসরের সেরা বোলার। সবখানেই সেরা বোলার সুযোগ পেলেন না আসন্ন বিশ্বকাপে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au