ইরান যুদ্ধে যেভাবে ব্যবহৃত হয়েছে মাস্কের এআই ‘গ্রোক’
মেলবোর্ন, ১৮ জুন- ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে মার্কিন বাহিনী ইলন মাস্কের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) মডেল ‘গ্রোক’ ব্যবহার করেছে বলে এক আইনি নথিতে স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের…
মেলবোর্ন, ২৯ আগষ্ট- রাজধানীর শাহবাগ থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। শুক্রবার সকালে তাঁদের ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হকের আদালতে হাজির করা হলে এ আদেশ দেওয়া হয়।
আদালতে হাজির করার পর অন্যান্য আসামিরা জামিনের আবেদন করলেও লতিফ সিদ্দিকী তা করেননি।
তিনি আদালতের প্রতি আস্থা নেই জানিয়ে বলেন, “আমি কোনো আইনজীবী নিয়োগ দেব না এবং জামিন চাইব না।” তাঁর ভাষ্য, আদালতের জামিন দেওয়ার ক্ষমতা নেই, তাই তিনি ওকালতনামায় স্বাক্ষর করবেন না।
গ্রেপ্তার দেখানোর পর শাহবাগ থানার এসআই তৌফিক হাসান তাঁদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় তাঁদের হাতকড়া পরানো ছিল, মাথায় হেলমেট ও গায়ে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট। আসামিদের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান (কার্জন) পুলিশকে উদ্দেশ করে বলেন, “ভয়াবহ অবস্থা! বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট খুলি?” পরে পুলিশ সদস্যরা তাঁদের জ্যাকেট খুলে দেন।
আদালতের এজলাসে দাঁড়িয়ে লতিফ সিদ্দিকীকে বেশ হাসিখুশি দেখা যায়। মাঝে মধ্যে তিনি পানি পান করেন ও মুখে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন। সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ওঠেন। এরপর আসামিদের পক্ষ থেকে আইনজীবীরা ওকালতনামায় স্বাক্ষর নিতে গেলে লতিফ সিদ্দিকী তা প্রত্যাখ্যান করেন। অন্য আসামিরা অবশ্য স্বাক্ষর করেন।
জামিন শুনানিতে আসামিদের পক্ষ থেকে আইনজীবীরা আবেদন জানালেও রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পিপি মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে নেওয়ার সময় সাংবাদিকেরা লতিফ সিদ্দিকীর কাছে মন্তব্য জানতে চাইলে তিনি মাথা নাড়িয়ে জানান, কিছু বলার নেই। এরপর তাঁকেসহ অন্যদের কারাগারে পাঠানো হয়।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au