শিগগিরই চালু হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত মিতালী এক্সপ্রেস ট্রেন, চলছে চূড়ান্ত প্রস্তুতি
মেলবোর্ন, ৩ জুলাই- প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পুনরায় আন্তদেশীয় ট্রেন চলাচল শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের…
্মেলবোর্ন, ৩০ আগষ্ট- ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় পুলিশের গাড়িচাপায় এক তরুণ মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে বিক্ষোভ। নিহত ২১ বছর বয়সী ডেলিভারি ও রাইড শেয়ারিং চালক আফফান কুরনিয়াওয়ানের মৃত্যু ঘিরে ছাত্র, শ্রমিক ও পরিবহনকর্মীদের অংশগ্রহণে আন্দোলন রূপ নিয়েছে সহিংস সংঘর্ষে।
গত বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশের বিশেষ বাহিনীর গাড়িচাপায় নিহত হন আফফান। এরপর শুক্রবার দুপুর থেকে জাকার্তার বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ শুরু হয়। কুইটাং এলাকায় পুলিশের মোবাইল ব্রিগেড কর্পস সদরদপ্তরের সামনে উত্তেজনা চরমে পৌঁছে যায়। পুলিশ টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করলে বিক্ষোভকারীরা ইটপাটকেল ও আতশবাজি ছোড়ে। সন্ধ্যার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে জাকার্তা পুলিশ সদরদপ্তরের সামনে। সেখানে বিক্ষোভকারীরা মলোটভ ককটেল ও জ্বালানি ভর্তি বস্তু নিক্ষেপ করলে পুলিশ জলকামান ব্যবহার করে তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালায়।
এ ঘটনায় নিহত তরুণের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন প্রেসিডেন্ট প্রাবোয়ো সুবিয়ান্তো। তিনি দোষীদের বিচারের আশ্বাস দিয়ে জনগণকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান। জাকার্তার গভর্নরও নিহতের পরিবারকে আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
পুলিশের শৃঙ্খলা বিভাগ নিশ্চিত করেছে, আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে সাত পুলিশ সদস্য অভিযুক্ত হয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। তবে বিক্ষোভকারীদের দাবি, শুধু অভিযুক্ত পুলিশ নয়, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরও বিচারের আওতায় আনতে হবে।
রাজধানীর বাইরে সুরাবায়া, মেদান, বান্দুং ও সুরাকার্তায়ও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। ছাত্র ও মোটরসাইকেল চালকরা বিভিন্ন জায়গায় রাস্তায় নেমে পুলিশের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়েছে এবং ব্যারিকেডে আগুন ধরিয়ে দেয়।
বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা শুধু আফফানের হত্যার বিচার নয়, সংসদ সদস্যদের ভাতা বৃদ্ধি ও চলমান জীবনযাত্রার ব্যয় সংকটেরও প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেশজুড়ে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।
সুত্রঃ সিএনএন
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au