সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যৌথ অভিযান শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সংগৃহীত
মেলবোর্ন, ৩১ আগষ্ট- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যৌথ অভিযান শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
রবিবার (৩১ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অন্তত ১০টি যৌথ বাহিনীর গাড়ি প্রবেশ করে। সেনাবাহিনী ও র্যাব সদস্যরা ক্যাম্পাসের আশপাশে অবস্থান নিয়ে অভিযানের প্রস্তুতি নেন।
এর আগে শনিবার রাতে ভাড়া বাসার এক দারোয়ান এক ছাত্রীকে মারধর করেন—এমন অভিযোগকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের দফায় দফায় সংঘর্ষে অন্তত দুই শতাধিক মানুষ আহত হন।
সংঘর্ষের জেরে প্রশাসন রবিবার দুপুর ২টা থেকে ১ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট বাজার থেকে রেলগেট পর্যন্ত এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে। হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন এই আদেশ জারি করেন।
১৪৪ ধারা অনুযায়ী, ওই এলাকায় সভা-সমাবেশ, বিক্ষোভ, গণজমায়েত, অস্ত্র বহন এবং ৫ জন বা তার বেশি মানুষের একসঙ্গে চলাফেরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
রোববার সকাল থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষে উপ-উপাচার্য, প্রক্টরসহ দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন। তাদের অনেককে গুরুতর অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, স্থানীয় সন্ত্রাসীরা প্রক্টর ও পুলিশের তিনটি গাড়ি ভাঙচুর করেছে। সহউপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দিন বলেন, “এত শিক্ষার্থী আহত হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অন্যদিকে স্থানীয়দের দাবি, শিক্ষার্থীরাই আগে হামলা চালিয়েছে এবং ঘরবাড়ি ভাঙচুর করেছে।