শিগগিরই চালু হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত মিতালী এক্সপ্রেস ট্রেন, চলছে চূড়ান্ত প্রস্তুতি
মেলবোর্ন, ৩ জুলাই- প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পুনরায় আন্তদেশীয় ট্রেন চলাচল শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের…
মেলবোর্ন, ৩১ আগষ্ট- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সম্ভাব্য অভিবাসনবিরোধী অভিযানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন শিকাগোর মেয়র ব্র্যান্ডন জনসন। তিনি এ বিষয়ে একটি নির্দেশনায় সই করে শহরের সব দপ্তরকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।
মেয়র জনসন বলেছেন, ‘আমাদের শহরে অসাংবিধানিক ও বেআইনি সামরিক দখলদারির কোনো প্রয়োজন নেই, আমরা তা চাইও না।’ তিনি স্পষ্ট করেছেন, স্থানীয় পুলিশ ফেডারেল বাহিনীর সঙ্গে যৌথ টহলে নামবে না।
ট্রাম্প ইতিমধ্যে ওয়াশিংটন ডিসিতে প্রায় দুই হাজার সেনা মোতায়েন করেছেন এবং হুমকি দিয়েছেন, শিকাগোতেও সেনা পাঠানো হবে। তাঁর দাবি, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, গৃহহীন এবং অনিবন্ধিত অভিবাসীদের দমনে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি শিকাগোকে ‘অরাজক শহর’ ও ‘হত্যার ক্ষেত্র’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।
এদিকে হোয়াইট হাউসের একজন মুখপাত্র জনসনের পদক্ষেপকে ‘প্রচারের কৌশল’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। মুখপাত্র অ্যাবিগেইল জ্যাকসনের মতে, শিকাগোর ডেমোক্র্যাট নেতারা অপরাধ দমনকে দলীয় রাজনীতির ইস্যু বানাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘যদি সমালোচনা আর প্রচারের নাটক সাজানোর বদলে তাঁরা অপরাধ দমনে মনোযোগ দিতেন, তবে তাঁদের কমিউনিটি আরও নিরাপদ হতো।’
অন্যদিকে ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের গভর্নর জে বি প্রিৎজকার ট্রাম্পের এই পরিকল্পনাকে ক্ষমতার অপব্যবহার হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাঁর অভিযোগ, ট্রাম্প রাজনৈতিকভাবে সেনাদের ব্যবহার করে একটি কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন, যা কর্মজীবী পরিবারগুলোর দুরবস্থা আড়াল করার চেষ্টা মাত্র।
শিকাগো শহর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শহরের প্রতি পাঁচ বাসিন্দার একজন অভিবাসী এবং তাঁদের অর্ধেকের বেশি লাতিন আমেরিকার দেশ থেকে এসেছেন। তবে এর মধ্যে কতজন বৈধ কাগজপত্র ছাড়া আছেন, তা স্পষ্ট নয়।
মেয়রের নির্দেশনায় শুধু ফেডারেল বাহিনী মোতায়েন ঠেকানো নয়, বরং কিছু বিদ্যমান নগরনীতি পুনরায় মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে আছে পুলিশের বডিক্যাম ও পরিচয়পত্র বহন বাধ্যতামূলক করা, মাস্ক পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদি। পাশাপাশি অভিবাসীরা যেন ফেডারেল অভিযানের সময় নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন থাকেন, সে জন্য প্রচারণা জোরদার করার কথাও জানানো হয়েছে।
এ ঘটনাকে ঘিরে হোয়াইট হাউস ও শিকাগো প্রশাসনের দ্বন্দ্ব আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে ফেডারেল সরকার ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক সংঘাতের সর্বশেষ উদাহরণ।
সুত্রঃ বিবিসি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au