হাসানের ৭ উইকেটে ওরচেস্টারশায়ারকে হারাল কেন্ট
ইংলিশ কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে কেন্টকে জয় এনে দিয়েছেন বাংলাদেশের ডানহাতি পেসার হাসান মাহমুদ। ওরচেস্টারশায়ারের বিপক্ষে ম্যাচে দুই ইনিংস মিলিয়ে ৭ উইকেট…
মেলবোর্ন, ৪ সেপ্টেম্বর- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ছাত্রীদের নিয়ে ছাত্রদলের এক নেতার অশালীন মন্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন জুলাই-৩৬ হলের ছাত্রীরা। বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ১১টার দিকে হলের সামনে অবস্থান নিয়ে তারা বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় ছাত্রীদের কণ্ঠে শোনা যায় স্লোগান— “ইভটিজারের কালো হাত ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও”, “নারীদের বুলিং করে, প্রশাসন কী করে?”, “ইভটিজারের ঠিকানা, এই ক্যাম্পাসে হবে না।”
বিক্ষোভকারীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়কে নিরাপদ করতে হলে এ ধরনের আচরণের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। তারা অভিযুক্ত আনিসুর রহমানের স্থায়ী বহিষ্কার, মনোনয়নপত্র বাতিল ও প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনার দাবি জানান। পাশাপাশি ক্যাম্পাসে সাইবার বুলিং সেল গঠন এবং ফেসবুকে ছাত্রীদের নিয়ে অশালীন মন্তব্যের ঘটনায় জড়িতদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার আহ্বান জানান।
অভিযুক্ত আনিসুর রহমান মিলন বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ মখদুম হল শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি। অভিযোগ ওঠার পর রাতেই বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, তদন্ত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তার পদ স্থগিত রাখা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে রয়েছেন সংগঠনের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি শাকিলুর রহমান ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম।
শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, প্রাথমিকভাবে আনিসুর রহমানের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, তার ফেসবুক আইডির নিয়ন্ত্রণ তার কাছে ছিল না। তবে সাংগঠনিক দায়িত্বে থেকে এ ধরনের ঘটনা ঘটানো উচিত হয়নি। রাহী আরও বলেন, অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে তাকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছেও শাস্তির জন্য সুপারিশ করা হবে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান বলেন, ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং প্রক্টরিয়াল বডি থেকে অভিযুক্ত নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, এর আগে সোমবার রাত ১১টার পরে হলে ফেরায় জুলাই-৩৬ হলের ৯১ জন ছাত্রীকে তলব করে নোটিশ দিয়েছিল হল কর্তৃপক্ষ। সেই নোটিশের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে। পরদিন মঙ্গলবার সমালোচনার মুখে নোটিশটি প্রত্যাহার করা হয়। পরে ফেসবুকে এ-সংক্রান্ত একটি ফটোকার্ডে আনিসুর রহমানের আইডি থেকে ছাত্রীদের নিয়ে অশালীন মন্তব্য করা হয়, যা থেকেই নতুন করে এই উত্তেজনার সূত্রপাত।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au