ইরান যুদ্ধে যেভাবে ব্যবহৃত হয়েছে মাস্কের এআই ‘গ্রোক’
মেলবোর্ন, ১৮ জুন- ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে মার্কিন বাহিনী ইলন মাস্কের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) মডেল ‘গ্রোক’ ব্যবহার করেছে বলে এক আইনি নথিতে স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের…
মেলবোর্ন, ৪ সেপ্টেম্বর- অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের একাংশের চেয়ারম্যান জি এম কাদের ও তার স্ত্রী শেরীফা কাদেরের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আদালত। সোমবার ঢাকার ভারপ্রাপ্ত মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ ইব্রাহিম মিয়া এই আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম।
দুদকের উপপরিচালক রেজাউল করিম গত রোববার আদালতে আবেদন জানান, জি এম কাদের ও তার স্ত্রী বিদেশে চলে যেতে পারেন এবং এতে চলমান অনুসন্ধান কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, রংপুর-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জি এম কাদের ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে দেশে-বিদেশে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। তাই তাদের বিদেশ গমন ঠেকানো জরুরি।
দুদক বর্তমানে জি এম কাদেরসহ অন্যদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান করছে।
জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে বিরোধী দল জাতীয় পার্টি চাপে পড়ে। সেই সময় থেকেই জি এম কাদেরকে প্রকাশ্যে খুব একটা দেখা যায়নি।
জি এম কাদের ১৯৯৬ সালে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ছাড়াও ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।
সম্প্রতি জাতীয় পার্টির ভেতরে বিভাজন তৈরি হয়েছে। জ্যেষ্ঠ নেতাদের একটি অংশ আওয়ামী লীগের সঙ্গে সখ্য থেকে দলকে মুক্ত করার উদ্যোগ নেয় এবং জি এম কাদেরকে নেতৃত্ব থেকে সরাতে তৎপর হয়। গত ৯ আগস্ট রওশন এরশাদপন্থিদের সঙ্গে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও মো. মুজিবুল হক চুন্নুর নেতৃত্বে অন্য একটি অংশ ঐক্যবদ্ধ হয় এবং সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠন করে। সেখানে আনিসুল ইসলাম মাহমুদকে চেয়ারম্যান, এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদারকে মহাসচিব, কাজী ফিরোজ রশিদকে সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান এবং মো. মুজিবুল হক চুন্নুকে নির্বাহী চেয়ারম্যান করা হয়।
অন্যদিকে, জি এম কাদেরের স্ত্রী শেরীফা কাদের একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ ছিলেন। তবে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৮ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন। সে সময় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ তাকে আসন ছাড় দিয়েছিল।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au