নিখোঁজের ৮ ঘণ্টা পর গর্ত থেকে শিশু বিথি রায়ের মরদেহ উদ্ধার
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার প্রায় আট ঘণ্টা পর বিথি রায় নামে ছয় বছর বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার রাত ৮টার দিকে…
মেলবোর্ন, ৭ সেপ্টেম্বর- সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় আজ রোববার, ৭ সেপ্টেম্বর, কালজয়ী সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমীনকে সম্মাননা প্রদান করা হবে এবং তাঁর একক সংগীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানটি সন্ধ্যা সাতটায় একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে শুরু হবে।
শিল্পকলা একাডেমির জনসংযোগ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে, অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখবেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। সম্মাননা প্রদান করবেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। উপস্থিত থাকবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদ এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মফিদুর রহমান।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ‘শুধু গান গেয়ে পরিচয়’ শিরোনামে সাবিনা ইয়াসমীনকে নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। থাকছে দেশবরেণ্য শিল্পীদের স্মৃতিচারণা, নবীন শিল্পী ও সংগীত পরিচালকদের কম্পোজিশনে শিল্পীর গান পরিবেশনা, এবং সাবিনা ইয়াসমীনের একক সংগীতানুষ্ঠান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করবেন অভিনেতা ও নির্মাতা আফজাল হোসেন।
সাবিনা ইয়াসমীনের সংগীত যাত্রা
বাংলা গানের গৌরব সাবিনা ইয়াসমীন ১৯৫৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর সাংস্কৃতিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র ছয় বছর বয়সে গান গেয়ে প্রথম পুরস্কার জিতেছিলেন অল পাকিস্তান স্কুল মিউজিক কম্পিটিশনে।
১৯৬২ সালে রবীন ঘোষের সুরে ছোটদের জন্য গান গেয়ে তিনি সংগীতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবেশ করেন। একই বছর এহতেশাম পরিচালিত ‘নতুন সুর’ ছবিতে শিশুশিল্পী হিসেবে গান করেন। ১৯৬৭ সালে আমজাদ হোসেন ও নুরুল হক বাচ্চু পরিচালিত ‘আগুন নিয়ে খেলা’ চলচ্চিত্রে প্রথম প্লেব্যাক করেন।
এরপর একে একে তিনি বাংলা গানের অপরিহার্য কণ্ঠস্বর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন। সত্য সাহা, আলম খান, সুবল দাস, আলাউদ্দিন আলী, আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলসহ অসংখ্য কিংবদন্তি সুরকারের সঙ্গে কাজ করেছেন। চলচ্চিত্রের গানসহ বিভিন্ন ধারায় ১৬ হাজারের বেশি গান রেকর্ড করেছেন তিনি। আধুনিক গান, পল্লিগীতি, রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলসংগীত ও গজল—সব ক্ষেত্রেই রেখেছেন সুরেলা স্বাক্ষর।
বাংলাদেশে তিনিই একমাত্র শিল্পী, যিনি ১৫ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতেছেন। তিনি পেয়েছেন একুশে পদক (১৯৮৪), স্বাধীনতা পুরস্কার (১৯৯৬) এবং দেশে–বিদেশে বহু সম্মাননা।
আজকের অনুষ্ঠান তাঁর দীর্ঘ দিনের সাফল্য ও সংগীত জীবনের অমুল্য অবদানকে সম্মান জানাতে একটি বিশেষ মুহূর্ত হয়ে থাকবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au