নিখোঁজের ৮ ঘণ্টা পর গর্ত থেকে শিশু বিথি রায়ের মরদেহ উদ্ধার
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার প্রায় আট ঘণ্টা পর বিথি রায় নামে ছয় বছর বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার রাত ৮টার দিকে…
মেলবোর্ন, ৯ সেপ্টেম্বর- দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৮ শতাংশ সংখ্যালঘু। কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলো কেবল রাজনৈতিক স্বার্থে তাদের ব্যবহার করে আসছে— অথচ তাদের ন্যায্য অধিকার রক্ষায় কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। এ অভিযোগ তুলে এবার কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সংখ্যালঘু অধিকার আন্দোলনের নেতারা।
তাঁরা জানিয়েছেন, সংখ্যালঘুদের অধিকার নিশ্চিত না হলে নির্বাচনে ভোট বর্জনের মতো কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবেন। পাশাপাশি, ১১ সেপ্টেম্বর থেকে বিভাগীয় পর্যায়ে ‘আমরণ গণ–অনশন’ কর্মসূচি শুরু করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তারা।
সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সংখ্যালঘু অধিকার আন্দোলনের নেতারা।
সংগঠনের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি লিংকন দত্ত ও শ্রীনন্দ দাশ লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
তাঁরা বলেন, ২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনে দেশের ৮ শতাংশ সংখ্যালঘু সম্প্রদায় রাজপথে ছিল। কিন্তু ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর থেকেই সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংস নির্যাতন শুরু হয়েছে, যা এখনো অব্যাহত।
লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র ভারতের নতুন ‘অভিবাসন ও বিদেশি আইন, ২০২৫’ বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের দেশত্যাগের প্রবণতাকে আরও উসকে দেবে।
সংগঠনের নেতারা অভিযোগ করে বলেন, গত বছরের ১৩ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে তাঁদের বৈঠক হয়েছিল। সে সময় তিনি সংখ্যালঘুদের ক্ষতিপূরণসহ আট দফা দাবি বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু এক বছর পার হলেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি।
সংখ্যালঘু অধিকার আন্দোলনের নেতারা সংবাদ সম্মেলন থেকে স্পষ্ট করে বলেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলো সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও অধিকারের বিষয়ে দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নিলে তাঁরা কঠোর আন্দোলনে নামবেন।
আট দফা দাবি
সংগঠনের পক্ষ থেকে উত্থাপিত আট দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত শিক্ষার্থী প্রতিনিধি সুস্মিতা কর বলেন,
“এক বছর ধরে অনেকেই বলছে, সংখ্যালঘুরা নিজেদের আর বাংলাদেশের নাগরিক বলে ভাবছে না। যখন প্রতিদিনই তাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়া হচ্ছে যে তারা নিরাপদ নয়, তখন তারা কিভাবে বিশ্বাস করবে যে এই দেশ তাদের?”
সংখ্যালঘু অধিকার আন্দোলনের এই ঘোষণা বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। রাজনৈতিক দলগুলো সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিয়ে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ না নিলে আসন্ন নির্বাচনসহ দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিবেশ বড় ধরনের অনিশ্চয়তায় পড়তে পারে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au