ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল।ছবি: এএনআই
মেলবোর্ন, ৪ অক্টোবর- বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে.জে. (অব.) জহাংগীর আলম চৌধুরীর পোক্ত মন্তব্য — যে খাগড়াছড়ির বিক্ষোভ ও অস্থিরতার পেছনে “ভারতীয় প্ররোচনা” এবং “ফ্যাসিবাদী উপাদান” দায়ী — এর জবাবে নয়াদিল্লি জোরালোভাবে তা প্রত্যাখ্যান করেছে।
নিচে গুরুত্বপূর্ন দৃষ্টিকোণ ও বিবৃতি তুলে ধরা হলো:
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (MEA) একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, বাংলাদেশের মধ্যবর্তী সরকার “মিথ্যা ও ভিত্তিহীন” অভিযোগ করেছে।
MEA মুখপাত্র রন্ধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমরা এই অভিযোগগুলি দূষিত ও নির্মূল করছি … বাংলাদেশের সরকারের উচিত আসল চ্যালেঞ্জগুলো মিথ্যা অভিযোগে না ঢেকে দেওয়া, বরং সংহতভাবে অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি মোকাবিলা করা।”
সেই সঙ্গে, ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “উভয়পক্ষের উচিত আত্মপর্যালোচনা করা”—অর্থাৎ, বাংলাদেশকে বলেছে, আগে তাদের আন্তর্জাতিক অভিযোগ দানে মন না দিয়ে, নিজস্ব পরিস্থিতি ও সমস্যাগুলি নির্ধারণ করা উচিত।
ভারতের বক্তব্য হলো — অভিযোগ প্রধান করার আগে উভয়পক্ষকে দায়বুধি সহকারে বিবেচনা করতে হবে, কারণ এমন রূপকথাস্বরূপ দৃষ্টিভঙ্গি দ্বিপক্ষীয় বর্ণনায় আরও উত্তেজনা বাড়াতে পারে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার দাবি ছিল যে খাগড়াছড়ির উত্তেজনায় “নিবন্ধিত দেশ বা ফ্যাসিস্ট শক্তি” গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তবে নয়াদিল্লির প্রতিক্রিয়া স্পষ্ট — তারা সেই ধরণের আভাস বা সন্দেহগুলিকে ভিত্তিহীন ঘোষণা করেছে এবং বলেছে, যদি সত্যিই কিছু অপরাধমূলক ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে সেসব স্থানীয় চিহ্নিত অপরাধীদের দৃষ্টিতে আনতে হবে, আন্তর্জাতিক দোষারোপের ছলনায় না।
এই উত্তেজিত পরিবর্তন বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের দৃষ্টিতে একটি কূটনৈতিক উত্তেজক মুহূর্ত তৈরি করতে পারে। খবরের মতে, নতুন দিল্লি বলছে, বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ নিজ দেশে আইন ও আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাখে।