মেলবোর্ন,৫ অক্টোবর- ইরানে নিরাপত্তা সদস্য ও সরকারপন্থী এক ধর্মগুরুকে হত্যার দায়ে সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দেশটির বিচার বিভাগ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এসব আসামি রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে।
রায় অনুযায়ী, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল—তারা এক নিরাপত্তা সদস্যকে হত্যার পাশাপাশি সরকারপন্থী এক ধর্মীয় নেতার ওপর হামলা চালিয়ে হত্যা করেছে। আদালত বলছে, এ ধরনের অপরাধ দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য গুরুতর হুমকি।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো অবশ্য এ ধরনের বিচারের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তারা বলছে, ইরানে রাজনৈতিক ভিন্নমত দমন এবং দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ায় কঠোর শাস্তি দেওয়ার ঘটনা নতুন নয়।
এদিকে স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, দণ্ডপ্রাপ্তরা আপিলের সুযোগ পাবেন। তবে সাধারণত এ ধরনের মামলায় সর্বোচ্চ আদালত মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে।
১৯ বছর বয়সে গ্রেপ্তার হন এবং বারো বছরেরও বেশি সময় জেল খাটার পর তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। তাদের দাবি, মূলত নির্যাতন ও জোর করে স্বীকারোক্তি নেওয়া হয়েছিল তার কাছ থেকে।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতে, ইরানি কর্তৃপক্ষ ২০২৫ সালে এ পর্যন্ত এক হাজারের বেশি লোককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। যা ১৫ বছরের মধ্যে এই গোষ্ঠীর রেকর্ডকৃত সর্বোচ্চ বার্ষিক সংখ্যা।
বিশ্লেষকদের মতে, এ ঘটনাটি ইরানের ভেতরকার রাজনৈতিক টানাপোড়েন ও ভিন্নমতের প্রতি সরকারের কড়া অবস্থানকে আবারও স্পষ্ট করে তুলেছে।
সূত্র: রয়টার্স