বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও গভীর করার অঙ্গীকার
মেলবোর্ন, ২৬ জুন- বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ,…
মেলবোর্ন, ৯ নভেম্বর- রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশনা অনুযায়ী সম্ভাব্য পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার প্রস্তাবনা তৈরির কাজ শুরু করা হয়েছে এমন তথ্য জানিয়েছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ। ল্যাভরভ জানান, পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো পুতিনের নির্দেশনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও প্রস্তাব তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
জানিয়েছে, এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পুতিন পাঁচ নভেম্বর নিরাপত্তা পরিষদের এক বৈঠকে দেন; সেখানে তিনি মন্ত্রী ও নিরাপত্তা কর্তাদের যুক্তরাষ্ট্রে পারমাণবিক পরীক্ষা পুনরায় শুরু করলে রাশিয়া প্রতিক্রিয়ায় ‘প্রস্তাবনা’ দিতে নির্দেশ দেন। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রুশ কর্মকর্তারা এখন এই প্রস্তাবনা ও প্রস্তুতিমূলক বিশ্লেষণ সংগ্রহে ব্যস্ত।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এবং নিরাপত্তা পরিষদের অন্যান্য সদস্যরাও পারমাণবিক পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রস্তুতি নিয়ে কথা বলেছেন রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্র যদি পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা পুনরায় শুরু করে তবে রাশিয়াও প্রয়োজনে “পূর্ণপরিসরের” পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার বিকল্প বিবেচনা করবে। এ প্রসঙ্গে রাশিয়ার কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশীয় সক্রিয়তা কড়া তত্ত্বাবধানে রাখার কথাও জানিয়েছে।
সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর ১৯৯১ সালের পর থেকে রাশিয়া 공식ভাবে কোনো পারমাণবিক পরীক্ষা চালায়নি এটি ছিল দীর্ঘসময় ধরে বজায় থাকা একটি নিষ্ক্রিয় অবস্থা। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করাচ্ছেন, এখনকার মোড় ঘুরছে উত্তেজনাপূর্ণ ভৌত ও কূটনৈতিক প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া সম্পর্কে অব্যাহত প্রতিদ্বন্দ্বিতা, ইউক্রেন–রাশিয়া সংঘাত, এবং সামরিক আধুনিকায়নের প্রতিফলন হিসেবে বিষয়টি দেখা হচ্ছে।
বিশ্বজুড়ে এ সিদ্ধান্তের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগও রয়েছে। অনেক আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক বলছেন, যদি প্রধান পারমাণবিক শক্তিগুলো পরীক্ষার পুনরায় সূচনা করে, তাহলে তা পারমাণবিক নীতিগত ভারসাম্য, অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার উপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ন্যাটো এবং যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান কী হবে তা এখনও স্পষ্ট নয় তবে কূটনৈতিক দূরত্ব কমাতে ও উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিক আলোচনা ত্বরান্বিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
রাশিয়া কর্তৃপক্ষ বলেছে, তারা সিদ্ধান্ত নেবে কবে ও কীভাবে এগোতে হবে এবং প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে তারা প্রয়োজনীয় কার্যক্রম, কৌশলগত পরামর্শ এবং সম্ভবত বৈজ্ঞানিক-প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি নির্ধারণে লাগবে এমন প্রস্তাবনা তৈরি করছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দ্রুত প্রতিক্রিয়া ও কূটনৈতিক উদ্যোগ এ ধরনের কোনো পদক্ষেপকে প্রতিহত বা নিয়ন্ত্রিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে বিশেষজ্ঞরা মন্তব্য করছেন।
সূত্র: রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au