সাদা-কালো পতাকায় সয়লাব দেশ, নেপথ্যে কারা? অর্থ কারা দিচ্ছে?
মেলবোর্ন, ২৬ জুন- ‘আপনারা সব জায়গায় কালেমার পতাকা লাগায়ে দেবেন। এখন যদি এটা জঙ্গিবাদ হয়ে থাকে, তাহলে আর্জেন্টিনা এবং ব্রাজিল– এগুলোর সব পতাকা নামাতে হবে।…
মেলবোর্ন, ১১ নভেম্বর- গাজায় চলমান অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি উপেক্ষা করে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় এক শিশু ও এক নারী নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাফাহ অঞ্চলের একটি আবাসিক ভবনে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়, যেখানে পরিবারটি অবস্থান করছিল।
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানান, হামলায় ৬ বছর বয়সী এক শিশু ও তার মা ঘটনাস্থলেই নিহত হন, আহত হয়েছেন আরও তিনজন।
বিস্ফোরণে ভবনের একটি অংশ ধসে পড়ে, এবং উদ্ধারকাজে দেরি হওয়ায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, হামলার লক্ষ্য ছিল “একটি সশস্ত্র দলের সদস্যদের লুকানোর জায়গা।”
তবে স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, ওই এলাকায় কোনো যোদ্ধা ছিল না – এটি সম্পূর্ণ আবাসিক ভবন।
একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান,
“আমরা যুদ্ধবিরতির সময় একটু শান্তির আশা করছিলাম, কিন্তু হঠাৎই ড্রোনের শব্দ শুনে সবকিছু ভেঙে পড়ে।”
জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর ঘটনাটির তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, যুদ্ধবিরতির সময় এ ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন।
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এক বিবৃতিতে বলেন,
“শিশুদের হত্যা কোনোভাবেই আত্মরক্ষা নয়; এটি অমানবিকতা।”
এছাড়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আরব লীগও গাজার হামলা অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে।
অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও গাজায় খাদ্য, পানি ও চিকিৎসা সহায়তার সংকট অব্যাহত রয়েছে।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে অন্তত ৪৭টি ছোটখাটো সংঘর্ষ ও গোলাবর্ষণ ঘটেছে, যা যুদ্ধবিরতির শর্ত স্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করছে।
শিশুসহ দুই বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যুতে গাজা আবারও শোক ও ক্ষোভে ফেটে পড়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ধরনের হামলা যুদ্ধবিরতির বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে এবং শান্তি আলোচনার পথ আরও জটিল করে তুলছে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এখন ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন উভয় পক্ষকে যুদ্ধবিরতির শর্ত সম্পূর্ণভাবে মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au