পরাজয়ের ধাক্কা কাটিয়ে মাঠে মমতা, বিজেপি হটানোর নতুন কর্মসূচির ঘোষণা
মেলবোর্ন, ৩ জুন- পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের প্রায় এক মাস পর প্রথমবারের মতো প্রকাশ্য রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ও বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন…
মেলবোর্ন, ১১ নভেম্বর- বিশ্বজুড়ে দ্রুত অগ্রসরমান প্রযুক্তি প্রতিযোগিতায় ২০২৫ সালে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা পাঁচ দেশ হিসেবে উঠে এসেছে – যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও জার্মানি। এসব দেশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, রোবটিকস, সাইবার নিরাপত্তা এবং মহাকাশ প্রযুক্তিতে বিশ্ব নেতৃত্ব দিচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র প্রযুক্তি উদ্ভাবনে ২০২৫ সালেও নেতৃত্ব ধরে রেখেছে।
গুগল, ওপেনএআই, টেসলা, অ্যামাজন ও স্পেসএক্সের মতো কোম্পানিগুলোর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্বয়ংচালিত যান ও মহাকাশ প্রযুক্তিতে যুগান্তকারী উদ্ভাবন যুক্তরাষ্ট্রকে শীর্ষে রেখেছে।
এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা (DARPA) কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ও সাইবার প্রতিরক্ষা খাতে বৈপ্লবিক অগ্রগতি অর্জন করেছে।
চীন ২০২৫ সালে প্রযুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
“মেইড ইন চায়না ২০২৫” পরিকল্পনার অধীনে দেশটি চিপ উৎপাদন, ৫জি ও এআই প্রযুক্তিতে ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে।
চীনের হুয়াওয়ে ও বাইদুর মতো প্রতিষ্ঠান এখন বৈশ্বিক প্রযুক্তি বাজারে বড় প্রভাব ফেলছে।
চীন মহাকাশ কর্মসূচিতেও এগিয়ে, বিশেষ করে চাঁদের মাটিতে ঘাঁটি স্থাপনের প্রস্তুতি এবং মহাকাশে মানব মিশন পাঠানোর উদ্যোগে।
জাপান দীর্ঘদিন ধরে রোবটিকস প্রযুক্তিতে বিশ্বনেতা।
২০২৫ সালে দেশটি মানবসদৃশ রোবট, মেডিকেল রোবট ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল অটোমেশন ক্ষেত্রে অসাধারণ উন্নতি করেছে।
টয়োটা ও হোন্ডার মতো প্রতিষ্ঠান স্বয়ংক্রিয় যান প্রযুক্তিকে আরও নিখুঁত করছে।
এছাড়া, জাপান বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সহায়তায় হিউম্যানয়েড রোবট ব্যবহারে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে বাস্তব প্রয়োগে সফল হয়েছে।
স্যামসাং ও এলজি’র মতো দক্ষিণ কোরীয় কোম্পানিগুলো স্মার্টফোন, চিপ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত ডিভাইসের উৎপাদনে বিশ্ববাজারে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে।
দেশটির সরকার “K-Tech 2030” নামের কর্মসূচির অধীনে স্মার্ট সিটি ও এআই ইকোসিস্টেম গড়ে তুলছে।
এছাড়া, দক্ষিণ কোরিয়া বর্তমানে ৬জি প্রযুক্তির পরীক্ষামূলক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে, যা আগামী দশকের প্রযুক্তি কাঠামো নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
জার্মানি ইউরোপের প্রযুক্তি অগ্রযাত্রার কেন্দ্রবিন্দু।
দেশটি ২০২৫ সালে সবুজ শক্তি, টেকসই শিল্প উৎপাদন ও স্বয়ংক্রিয় মেশিন প্রযুক্তিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।
“ইন্ডাস্ট্রি ৪.০” কর্মসূচির অধীনে দেশটি স্মার্ট ফ্যাক্টরি ও রোবট নিয়ন্ত্রিত উৎপাদন ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করেছে, যা বৈশ্বিক শিল্পে বিপ্লব ঘটাচ্ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ২০২৫ সালের প্রযুক্তি প্রতিযোগিতা কেবল অর্থনৈতিক নয়, বরং ভবিষ্যতের বৈশ্বিক নেতৃত্বের লড়াই।
যুক্তরাষ্ট্র ও চীন রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশাপাশি প্রযুক্তিতেও প্রভাব বিস্তারে প্রতিযোগিতা করছে, আর জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও জার্মানি উদ্ভাবন ও দক্ষতার মাধ্যমে সেই প্রতিযোগিতাকে আরও তীব্র করে তুলেছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au