সাদা-কালো পতাকায় সয়লাব দেশ, নেপথ্যে কারা? অর্থ কারা দিচ্ছে?
মেলবোর্ন, ২৬ জুন- ‘আপনারা সব জায়গায় কালেমার পতাকা লাগায়ে দেবেন। এখন যদি এটা জঙ্গিবাদ হয়ে থাকে, তাহলে আর্জেন্টিনা এবং ব্রাজিল– এগুলোর সব পতাকা নামাতে হবে।…
মেলবোর্ন, ১২ নভেম্বর- ইরাকে আজ রবিবার শুরু হয়েছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন, যেখানে কোটি কোটি ভোটার অংশ নিচ্ছেন। দেশজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যেই এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এই ভোটের মাধ্যমে ইরাকিরা বেছে নিচ্ছেন পার্লামেন্টের ৩২৯ সদস্য, যারা পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করবেন।
নির্বাচন ঘিরে সারা দেশে প্রায় ২ লাখ নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।
বাগদাদ, বসরা, নাজাফ ও মসুলসহ প্রধান শহরগুলোয় কঠোর নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে।
প্রবেশপথে চলছে কড়া তল্লাশি, ড্রোন ও সিসিটিভি নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।
সরকার জানিয়েছে, এ পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের সহিংসতা বা হামলার খবর পাওয়া যায়নি।
দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতা, দুর্নীতি ও বেকারত্বের বিরুদ্ধে এবার “পরিবর্তনের ভোট” দিতে এসেছেন অনেক তরুণ ভোটার।
এক বাগদাদি ভোটার বলেন,
“আমরা স্থিতিশীলতা ও কর্মসংস্থান চাই। এবার এমন নেতাদের ভোট দেব, যারা কথা রাখবেন।”
এই নির্বাচনে প্রায় ৯০টি রাজনৈতিক দল ও জোটের প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ আল-সুদানি সমর্থিত জোট এবং শিয়া নেতা মুকতাদা আল-সাদর সমর্থিত জোটের মধ্যে।
সুন্নি ও কুর্দি দলগুলোও নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে মরিয়া।
জাতিসংঘ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের শতাধিক আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ভোট তদারকিতে অংশ নিচ্ছেন।
ইরাকের নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছে যাতে ফলাফল দ্রুত প্রকাশ করা যায়।
তবে অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, কম ভোটার উপস্থিতি ও রাজনৈতিক বিভাজন ইরাকের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
গত নির্বাচনের তুলনায় এবার ভোটার উপস্থিতি কিছুটা কম বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইরাকের জনগণ আজ ভোটের মাধ্যমে নতুন রাজনৈতিক নেতৃত্ব বেছে নিচ্ছে,
যেখানে তাদের মূল দাবি, নিরাপত্তা, সুশাসন ও স্থিতিশীলতা।
এখন দেশজুড়ে দৃষ্টি ভোট গণনার দিকে, যা আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই প্রকাশিত হওয়ার কথা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au