ইথিওপিয়ায় ৬০-এর বেশি খ্রিস্টান নিহতের ঘটনাকে ‘গণহত্যা’ বলল গির্জা
ইথিওপিয়ার ওরোমিয়া অঞ্চলে খ্রিষ্টানদের লক্ষ্য করে চালানো ধারাবাহিক হামলায় ৬০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। দেশটির অর্থোডক্স গির্জার পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। হামলায়…
মেলবোর্ন, ২০ নভেম্বর- সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডকে আইন বিশেষজ্ঞরা যথেষ্ট আইনি ভিত্তিহীন হিসেবে মূল্যায়ন করছেন। তারা বলছেন, রায়ের প্রক্রিয়া এবং তার ভিত্তি নানা কারণে প্রশ্নবিদ্ধ, যা বিচার ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোও উল্লেখ করেছে, হাসিনার বিচার অনুপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হওয়ায় অভিযুক্তের নিজস্ব প্রতিরক্ষা বা বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ সীমিত ছিল। একটি আন্তর্জাতিক আইন সংস্থার বিশ্লেষক বলেন, “যখন অভিযুক্ত উপস্থিত নেই, তখন তার দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করা প্রায় অসম্ভব। এটি দেখায় বিচার প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ এবং ন্যায়সঙ্গত ছিল না।”
মামলার অভিযোগ ও প্রমাণপত্রগুলো রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। ২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে চলা আন্দোলনের সময় ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হওয়ায় আদালত কতটা নিরপেক্ষভাবে রায় দিতে পেরেছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালসহ বিভিন্ন সংস্থা বলেছে, এই মৃত্যুদণ্ড শুধু নির্দিষ্ট ব্যক্তির জন্য নয়, দেশের আইন প্রণয়ন ও বিচার ব্যবস্থার ওপরও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। তারা জোর দিয়ে বলেছেন, বিচার প্রক্রিয়ার সময় আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচারের মানদণ্ড নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
কিছু বিশ্লেষক মনে করছেন, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং অনুপস্থিতিতে রায় দেওয়া এই মামলাটিকে আইনি দিক থেকে দুর্বল অবস্থানে ফেলেছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা ও ন্যায়বিচারের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
শেখ হাসিনাও রায়কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও পক্ষপাতদুষ্ট বলে অভিহিত করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, ট্রাইব্যুনালটি “একটি অনির্বাচিত সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন সাজানো আদালত,” যা আইনি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে।
আইন বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, এই রায় শুধুমাত্র একজন ব্যক্তির জন্য নয়, দেশের রাজনৈতিক ও আইনি প্রেক্ষাপটের ওপরও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলবে। তাই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো রায়ের ফলপ্রভাবের ওপর নজরদারি অব্যাহত রাখছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au