সামাজিক মাধ্যমে হয়রানি, আইনি পদক্ষেপ নিলেন বিজয়-রাশমিকা
দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় তারকা দম্পতি বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে গুজব, মিথ্যা তথ্য ও হয়রানির অভিযোগে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন।…
মেলবোর্ন, ২১ নভেম্বর- আগামী শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগে সব শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই তুলে দিতে মুদ্রণ সংকট নিরসনে জোর দিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন কমিটি এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড। সাম্প্রতিক কাগজ স্বল্পতা, মুদ্রণযন্ত্রের চাপ এবং ঠিকাদারি জটিলতায় বই ছাপার কাজ মন্থর হয়ে পড়ায় সরকার পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত সমন্বয় বৈঠকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নির্ধারিত সময়সূচির সঙ্গে ছাপা কাজ মিলিয়ে আনতে অতিরিক্ত শিফট চালু করা হয়েছে। যেসব মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান পিছিয়ে রয়েছে, তাদের কাজ তদারকির জন্য বিশেষ দল নিয়োগ করা হয়েছে। বই পরিবহনের প্রক্রিয়াও দ্রুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে সব জেলা ও উপজেলায় পাঠ্যবই পৌঁছে যায়।
শিক্ষা কর্তৃপক্ষ বলছে, নতুন শিক্ষাক্রমের কারণে বইয়ের সংখ্যা বেড়েছে এবং বিষয়ভিত্তিক পরিবর্তনও ছাপা কার্যক্রমকে জটিল করেছে। এ অবস্থায় কাগজ সরবরাহকারীদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকের মাধ্যমে অতিরিক্ত মজুত নিশ্চিত করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, “সংকট ছিল ঠিকই, তবে এখন সমন্বিত উদ্যোগে কাজ এগোচ্ছে। বছরের প্রথম দিনেই বই বিতরণের লক্ষ্য অর্জনে আমরা আশাবাদী।”
সরকার বলছে, মাঠপর্যায়ের তদারকি আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে যাতে কোনো প্রতিষ্ঠান সময়মতো বই না দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়। পাঠ্যবই বিতরণকে কেন্দ্র করে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au