১৮ ঘণ্টা পরও ধ্বংসস্তূপে প্রাণের সন্ধান, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮
মেলবোর্ন, ২৫ জুন- ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার তারাতলা এলাকায় নির্মাণাধীন একটি গুদামের ছাদ ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে আটজনে দাঁড়িয়েছে। বুধবার দুপুরে ঘটে যাওয়া এ ভয়াবহ দুর্ঘটনার…
মেলবোর্ন, ৩ ডিসেম্বর- রোবট মানেই ধাতু আর প্লাস্টিকের জটিল যন্ত্র। তবে সেই ধারণা বদলে দিলেন সুইজারল্যান্ডের গবেষকেরা। তারা তৈরি করেছেন বিশ্বের প্রথম সম্পূর্ণ ভক্ষণযোগ্য কোমল রোবট, যার দেহ থেকে শুরু করে ব্যাটারিও পুরোপুরি খেয়ে ফেলা যায়। রোবটটি বিভিন্ন স্বাদেও পাওয়া যাচ্ছে।
গবেষকেরা জানান, এই উদ্ভাবন মূলত মানুষকে লক্ষ্য করে তৈরি না হলেও রোবোটিকস এবং ওষুধ সরবরাহ প্রযুক্তিতে নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে। রোবটটি দেখতে অনেকটা জেলি দিয়ে তৈরি টেট্রিস ব্লকের মতো। এর কাঠামোতে মোম, জিলেটিনসহ এমন সব উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে যা সহজে হজমযোগ্য। নড়াচড়ার জন্য প্রয়োজনীয় পাম্পের টিউবগুলোও ভোজ্য উপকরণ দিয়ে বানানো।
প্রচলিত রোবটের মতোই এটি গ্যাসের চাপ ব্যবহার করে শরীরের ভেতরের চেম্বারগুলো সংকুচিত ও প্রসারিত করে। ফলে রোবটটি নিজের আকার বদলে সামনে এগোতে পারে। তবে সবচেয়ে আলাদা বৈশিষ্ট্য হলো এর ভোজ্য ব্যাটারি। সিলিন্ডার আকৃতির ব্যাটারির ভেতরে আলাদা চেম্বারে রাখা আছে বেকিং সোডা এবং তরল সাইট্রিক অ্যাসিড। একটি পাতলা মেমব্রেন উভয়কে আলাদা করে রাখে। চাপ দিলে উপাদান দুইটি মিশে কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরি হয়, যা রোবটকে চালানোর শক্তি সরবরাহ করে।
গবেষকেরা বলেন, এই রোবটের প্রধান উদ্দেশ্য বন্যপ্রাণীর কাছে দূর থেকে ওষুধ পৌঁছে দেওয়া। মানুষের জন্য বিপজ্জনক এলাকায় এমন রোবট ব্যবহার করে প্রাণীদের দেহে নির্দিষ্ট ওষুধ প্রয়োগ করা সম্ভব হতে পারে। উদাহরণ হিসেবে তারা বুনো শুয়োরের কথা উল্লেখ করেছেন।
তবে প্রযুক্তিটি যে কেবল বন্যপ্রাণীর জন্য সীমাবদ্ধ থাকবে না, তার ইঙ্গিত ইতিমধ্যে মিলছে। ফলের স্বাদের অ্যাকচুয়েটরসহ রোবটটির পরীক্ষায় এখন মানুষের অংশগ্রহণ শুরু হয়েছে। গবেষণা প্রকল্পের ব্যবস্থাপক দারিও ফ্লোরিয়ানোর মতে, আসল গুরুত্ব লুকিয়ে আছে এর বায়ুচালিত ব্যাটারি ও ভালভ প্রযুক্তিতে। এই ব্যবস্থা ভবিষ্যতে খাদ্য ও ওষুধ সরবরাহ পদ্ধতিকে বদলে দিতে পারে বলে তিনি মনে করেন।
সূত্র: নোটবুক চেক
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au