মাদরাসায় সাত বছরের শিশুকে ছয় মাস ধরে বলাৎকার করছিলেন ৬জন
সাভার পৌর এলাকার শাহীবাগ মহল্লার মারকাযুল উলূম আশ-শরইয়্যাহ মাদরাসায় সাত বছরের এক শিশু শিক্ষার্থীকে প্রায় ছয় মাস ধরে বিভিন্ন সময়ে বলাৎকার ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ…
মেলবোর্ন, ৪ ডিসেম্বর- কক্সবাজারের ঈদগাঁওতে তৌহিদী জনতার বিক্ষোভ ও হামলার পর থেমে গেছে ‘ঢাকাইয়া মেলা’। গত রোববার আসরের নামাজের পর একদল মুসল্লি মেলার স্টলে হামলা চালিয়ে কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়।
প্রায় এক সপ্তাহ ধরে চলা এই মেলা শুরু হয়েছিল ২৩ নভেম্বর, উত্তর মাইজপাড়া আলমাছিয়া মাদ্রাসার পাশে একটি নির্মাণাধীন ভবনে।
স্থানীয়দের আপত্তির কারণে আগের দিন শনিবার আয়োজকরা মেলা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে রোববার আবার স্টল খুললে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হয়ে মুসল্লিরা মিছিল নিয়ে মেলার সামনে জড়ো হন।
আয়োজকেরা ঘটনাস্থল ছাড়ার পর বিক্ষোভকারীরা স্টল মালিকদের মালপত্র সরিয়ে নিতে সময় দেন। কয়েকজন মেলার ব্যানার ও ফেস্টুন খুলে ফেলেন। সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি ব্যাপক আলোচনায় আসে।
বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, মেলার আড়ালে জুয়া ও অনৈতিক কার্যক্রম চলছিল। তাদের দাবি, বিষয়টি জানলেও উপজেলা বা থানা প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। মেলার পাশে আলমাছিয়া ফাজিল মাদ্রাসাসহ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকায় যানজট ও শব্দদূষণে শিক্ষার্থীদেরও ভোগান্তি হচ্ছিল।
স্থানীয় কয়েকজন জনপ্রতিনিধি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের কয়েকজন স্থানীয় নেতা মেলার আয়োজন করেছিলেন। বিক্ষোভ পরিচালনায় সামনে ছিলেন মাওলানা জহিরুল ইসলাম, হেফজুর রহমান ও সিরাজুল ইসলাম। তবে তাদের কারো সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।
ঈদগাঁও থানার ওসি ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, মেলা পরিচালনার জন্য কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইমরান হোসাইন সজীব জানান, এ বছর ঈদগাঁও এলাকায় মেলা আয়োজনের জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে কোনো আবেদন আসেনি।
তিনি বলেন, মেলা শুরু হওয়ার পর স্থানীয় লোকজন সেটি ভেঙে দিয়েছে বলে পরে জানতে পেরেছেন।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা থাকলেও বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানা গেছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au