আরব আমিরাতের বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলার দাবি ইরানের
মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। শনিবার দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)…
মেলবোর্ন, ১৬ ডিসেম্বর- মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজাকার ও স্বাধীনতাবিরোধীদের ছবি প্রদর্শন করে তাতে ময়লা নিক্ষেপ করেছেন একদল শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরোনো কলাভবনের সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থীরা এই প্রদর্শনীর নাম দেন ‘ঘৃণাস্তম্ভ’।
আয়োজক শিক্ষার্থীরা জানান, মহান মুক্তিযুদ্ধে লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার বিরুদ্ধে যারা অবস্থান নিয়েছিল, সেই রাজাকার ও আলবদরদের আজও কেউ কেউ নায়ক হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছে। এই প্রবণতার প্রতিবাদ জানাতেই বিজয় দিবসের দিনে প্রতীকী কর্মসূচি হিসেবে রাজাকারদের ছবি প্রদর্শন করে সেখানে ময়লা ও আবর্জনা নিক্ষেপ করা হয়েছে।
বেলা ১১টার দিকে দেখা যায়, পুরোনো কলাভবনের সামনে একটি খুঁটির সঙ্গে রাজাকারদের মোট ১০টি ছবি ঝোলানো রয়েছে। ছবিগুলোর নিচে স্তূপ করে রাখা হয়েছে ময়লা ও আবর্জনা। পাশে রাখা আছে একটি ডাস্টবিন, যা পুরো আয়োজনের প্রতীকী বার্তাকে আরও স্পষ্ট করে তোলে।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রদর্শনীতে গোলাম আযম, কাদের মোল্লা ও মতিউর রহমান নিজামীর ছবি রাখা হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় কয়েকটি ছবিতে তাদের চেহারায় পরিবর্তন আনা হয়েছে, যাতে ঘৃণার প্রকাশ আরও প্রতীকীভাবে ফুটে ওঠে।
এ বিষয়ে নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী এবং আল-বেরুনী হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক মুন্তাসির বিল্লাহ খান বলেন, রাজাকার, আলবদর, আলশামস ও মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের স্থান ইতিহাসের আবর্জনার স্তূপেই। তাঁর ভাষায়, মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে যে দেশ অর্জিত হয়েছে, সেই দেশে রাজাকারদের কোনো ঠাঁই নেই। এ কারণেই প্রতীকীভাবে তাদের ছবি প্রদর্শন করে ময়লা নিক্ষেপ করা হয়েছে।
নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী নবীন কিশোর গোস্বামী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তাদের জন্য এই আয়োজন একটি ঘৃণাস্তম্ভ। তাদের প্রতি ঘৃণা ও প্রতিবাদ থেকেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
বিজয় দিবসে শিক্ষার্থীদের এই আয়োজন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ইতিহাস বিকৃতির বিরুদ্ধে অবস্থানকে নতুন করে সামনে এনেছে বলে মনে করছেন উপস্থিতরা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au