ধর্ম অবমাননার মামলায় পডকাস্ট উপস্থাপক রেহান তারিকের জামিন মঞ্জর
মেলবোর্ন, ২২ জুলাই: পাকিস্তানের লাহোরের একটি সেশনস আদালত মঙ্গলবার ধর্ম অবমাননা আইন ও প্রিভেনশন অব ইলেকট্রনিক ক্রাইমস অ্যাক্ট (পেকা), ২০১৬-এর অধীনে দায়ের করা মামলায় পডকাস্ট…
মেলবোর্ন ১৭ ডিসেম্বর- বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা দোকান পরিচালনা, সাংবাদিকতা, কোচিং ব্যবসা ও মসজিদের পূর্ণকালীন ইমামতিসহ মোট ১১ ধরনের পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনার আলোকে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে উপজেলা পর্যায়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
গত রোববার মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে উপজেলার সব বেসরকারি স্কুল ও কলেজে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠানো হয়। চিঠির সত্যতা নিশ্চিত করে কালকিনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুজ্জামান জানান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে পাঠানো চিঠির ভিত্তিতেই নোটিশ আকারে প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তিনি বলেন, নির্দেশনা অমান্য করলে এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫ অনুযায়ী এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা একটি পূর্ণকালীন ও সম্মানজনক রাষ্ট্রীয় আর্থিক সুবিধাপ্রাপ্ত পেশায় নিয়োজিত। সে কারণে তাদের পেশাগত দায়িত্ব ও সময়ের পূর্ণ সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করতে শিক্ষকতার পাশাপাশি কোনো অতিরিক্ত লাভজনক পেশায় সম্পৃক্ত হওয়া নীতিগতভাবে নিষিদ্ধ।
নিষিদ্ধ পেশার তালিকায় রয়েছে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সাংবাদিকতা, আইন পেশা, কোচিং সেন্টার পরিচালনা বা সেখানে শিক্ষকতা, প্রাইভেট বা কেজি স্কুল পরিচালনা, শিক্ষাবিষয়ক প্রকাশনা বা পাবলিকেশন্স ব্যবসা, হজ এজেন্ট বা সংশ্লিষ্ট মার্কেটিং কার্যক্রম, বিয়ের কাজী বা ঘটকালি পেশা, টং দোকান বা ক্ষুদ্র ব্যবসা, ঠিকাদারি বা নির্মাণ ব্যবসা, শিক্ষকতার সময়কে প্রভাবিত করে এমন মসজিদের পূর্ণকালীন ইমাম বা খতিবের দায়িত্ব পালন এবং কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বিশেষ সহকারী বা চাটুকার হিসেবে কাজ করা।
তবে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো শিক্ষক যদি স্বেচ্ছাশ্রমে ধর্মীয় বা সামাজিক কাজে যুক্ত থাকেন, তা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকতে হবে। সে ক্ষেত্রে মূল পেশাগত দায়িত্ব পালনে যেন কোনো ব্যাঘাত না ঘটে, সেটি নিশ্চিত করতে হবে।
এই নির্দেশনার ফলে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের পেশাগত শৃঙ্খলা ও দায়িত্ব পালনে আরও কড়াকড়ি আরোপ করা হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au