চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ২০ ডিসেম্বর- ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার সিদ্ধান্তকে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির অংশ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে ভারত। একই সঙ্গে বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা ইস্যুকে ভারতের জন্য একটি বড় কৌশলগত চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়বিষয়ক সংসদীয় কমিটি।
বৃহস্পতিবার কংগ্রেস সংসদ সদস্য শশী থারুরের নেতৃত্বাধীন ওই সংসদীয় কমিটি ভারতের সংসদে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন উপস্থাপন করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের কারণে বাংলাদেশ পরিস্থিতি ভারতের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর কৌশলগত ইস্যুগুলোর একটি হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ঢাকার রাজনৈতিক অস্থিরতা, নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং আঞ্চলিক প্রভাবের পরিবর্তন দিল্লির জন্য বাড়তি উদ্বেগ তৈরি করেছে।
বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সংসদীয় কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতি সরাসরি নৈরাজ্য বা সম্পূর্ণ বিশৃঙ্খলার দিকে গড়াবে না বলেই ধারণা করা হচ্ছে। তবে পরিস্থিতি যেকোনো সময় জটিল আকার নিতে পারে, এমন আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এ কারণে প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশকে ঘিরে ভারতের কৌশল নতুন করে মূল্যায়নের সুপারিশ করেছে কমিটি।
প্রতিবেদনে শেখ হাসিনাকে ভারতে আশ্রয় দেওয়ার বিষয়টি মানবিক বিবেচনায় নেওয়া সিদ্ধান্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কীভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে সতর্ক নজর রাখার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। কমিটির মতে, পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় ঢাকার সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষা করা ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এছাড়া প্রতিবেদনে বাংলাদেশের ভেতরে মৌলবাদী শক্তির পুনরুত্থানের আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি ঢাকায় চীন ও পাকিস্তানের প্রভাব বাড়ার সম্ভাবনার দিকেও ইঙ্গিত দিয়েছে সংসদীয় কমিটি। এই প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও ভূরাজনৈতিক সমীকরণ ভারতের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলে প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে।
‘ফিউচার অব ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ রিলেশনশিপ’ শীর্ষক এই প্রতিবেদন এমন এক সময়ে প্রকাশিত হলো, যখন বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক আবারও সংবেদনশীল পর্যায়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান, তাকে ফেরত চেয়ে বাংলাদেশের অনুরোধ এবং ঢাকার রাজনৈতিক অস্থিরতা দুই দেশের সম্পর্কের ওপর নতুন করে চাপ তৈরি করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au