আরব আমিরাতের বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলার দাবি ইরানের
মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। শনিবার দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)…
মেলবোর্ন, ২৩ ডিসেম্বর- ভারতের নয়াদিল্লি ও শিলিগুড়িতে বাংলাদেশের কূটনৈতিক স্থাপনায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে তলব করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এসব ঘটনাকে পূর্বপরিকল্পিত সহিংসতা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের শামিল উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার ২৩ ডিসেম্বর সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলবের পর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভারতের ভেতরে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোর ওপর এ ধরনের হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতে, এসব ঘটনা কেবল কূটনৈতিক কর্মীদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি নয়, বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, শান্তি ও সহনশীলতার মৌলিক মূল্যবোধের পরিপন্থি।

বাংলাদেশ হাইকমিশনের বাইরে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে ফেলে বিক্ষোভকারীরা। মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে। ছবি: সংগৃহীত
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা মন্ত্রণালয়ে পৌঁছান। তিনি পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়ামের দপ্তরে প্রবেশ করেন এবং সেখানে সংক্ষিপ্ত সময় অবস্থান করেন। আসা ও যাওয়া মিলিয়ে পাঁচ মিনিটেরও কম সময়ের মধ্যে তিনি মন্ত্রণালয় ত্যাগ করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, এ সময় বাংলাদেশ সরকার ২০ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রাঙ্গণ ও আবাসস্থলের বাইরে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিষয়ে ভারত সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। পাশাপাশি ২২ ডিসেম্বর শিলিগুড়িতে বাংলাদেশের ভিসা কেন্দ্রে উগ্রপন্থি গোষ্ঠীর ভাঙচুরের ঘটনাকেও অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করা হয়।
এ ছাড়া ভারতে অবস্থিত বাংলাদেশের বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশনের সামনে সহিংস বিক্ষোভ ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, এ ধরনের পরিস্থিতি দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের পরিপন্থি এবং তা কূটনৈতিক পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
বাংলাদেশ সরকার এসব ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করার জন্য ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভারতে অবস্থিত বাংলাদেশের সব কূটনৈতিক মিশন ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।
আন্তর্জাতিক আইন ও কূটনৈতিক দায়বদ্ধতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বাংলাদেশ আশা প্রকাশ করেছে যে, কূটনৈতিক কর্মী ও স্থাপনাগুলোর মর্যাদা ও নিরাপত্তা সুরক্ষায় ভারত সরকার অবিলম্বে প্রয়োজনীয় ও যথাযথ পদক্ষেপ নেবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au