চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ২৭ ডিসেম্বর- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তাঁর কন্যা জাইমা রহমানের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে আগামীকাল রবিবার। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সভা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন ইসি সচিব।
শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি জানান, তারেক রহমান ও জাইমা রহমানের ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। তাঁদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির অনুমোদনের বিষয়টি রবিবার কমিশনের সামনে উপস্থাপন করা হবে। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম চূড়ান্ত হবে।
ইসি সচিব বলেন, ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯-এর ১৫ ধারার অধীনে কমিশনের যেকোনো যোগ্য নাগরিককে ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার এখতিয়ার রয়েছে। সেই আইনের আওতায় তারেক রহমান ও তাঁর কন্যা ভোটার নিবন্ধনের আবেদন করেছেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, শনিবার তারেক রহমান ও জাইমা রহমান ঢাকা–১৭ আসনের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে ভোটার হিসেবে নিবন্ধনের জন্য ফর্ম–২ পূরণ করেন। এ সময় তাঁদের ছবি তোলা হয়, আঙুলের ছাপ, স্বাক্ষর, মুখাবয়ব ও চোখের আইরিশ সংক্রান্ত বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
তারেক রহমানের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর পাওয়া প্রসঙ্গে আখতার আহমেদ বলেন, নিবন্ধনের পর তথ্য সার্ভারে আপলোড করে যাচাই-বাছাই করা হয়। ফিঙ্গারপ্রিন্ট, স্বাক্ষর, ফেস ও আইরিশ মিলিয়ে নিশ্চিত হতে কিছুটা সময় লাগে। যাচাই শেষ হলে এনআইডি নম্বর দেওয়া হবে। আশা করা হচ্ছে, আজকের মধ্যেই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে পারে।
ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্ত কবে চূড়ান্ত হবে জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, ভোটার নিবন্ধন একটি চলমান প্রক্রিয়া হলেও এ বিষয়টি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তাই বিষয়টি কমিশনের সভায় উপস্থাপন করা হবে। কমিশন চাইলে সভার মাধ্যমে বা নথির মাধ্যমেও সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধনের অংশ হিসেবে শনিবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে নির্বাচন কমিশনে আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ দেন তারেক রহমান। ছবিঃ সংগৃহীত
এদিকে জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধনের অংশ হিসেবে শনিবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে নির্বাচন কমিশনে আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ দেন তারেক রহমান। এনআইডি মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর জানান, তারেক রহমান অনলাইনে আবেদনপত্র পূরণ করেছিলেন। এরপর সরাসরি এসে বায়োমেট্রিক তথ্য দিয়ে নিবন্ধনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন।
এনআইডি মহাপরিচালক আরও বলেন, সফটওয়্যার স্বয়ংক্রিয়ভাবে তারেক রহমানের তথ্য সার্ভারে যাচাই করবে। কোনো মিল পাওয়া না গেলে ৫ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এনআইডি নম্বর জেনারেট হবে। এরপর তিনি জাতীয় পরিচয়পত্র বা স্মার্ট কার্ড গ্রহণ করতে পারবেন।
ভোটার নিবন্ধনের সব প্রক্রিয়া শেষে শনিবার দুপুর ১টা ২০ মিনিটের দিকে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ভবন ত্যাগ করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au