আরব আমিরাতের বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলার দাবি ইরানের
মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। শনিবার দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)…
মেলবোর্ন, ২৮ ডিসেম্বর- ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের মামলার প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে পুলিশ বলেছিল, ফয়সালের দেশ ছাড়া তথ্য তাদের কাছে নেই।
রোববার সকালে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত। ঘটনার পর ফয়সালসহ আরও একজন ময়মনসিংহ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে পালিয়ে গেছে বলে পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে। এই মামলায় এখন পর্যন্ত মোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে ছয়জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে রাজধানীর পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। জুমার নামাজ শেষে প্রচারণা চালিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যাওয়ার সময় শরিফ ওসমান বিন হাদিকে লক্ষ্য করে মোটরসাইকেলে এসে গুলি চালানো হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সঙ্গে থাকা অজ্ঞাত পরিচয় একজন সহযোগী চলন্ত মোটরসাইকেল থেকেই তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে দ্রুত পালিয়ে যায়।
গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাদিকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। অবস্থার আরও অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে তার মৃত্যু হয়।
এই ঘটনার পর ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে পল্টন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। শুরুতে এটি হত্যাচেষ্টার মামলা হিসেবে রুজু করা হলেও পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপ নেয়। মামলায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, হত্যাচেষ্টা এবং বিপজ্জনক অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে।
ডিএমপি জানিয়েছে, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে সীমান্তবর্তী এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চলছে এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। পুলিশের দাবি, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au