চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ৩০ ডিসেম্বর: অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল পুলিশ (AFP) বন্ডাই এর ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় অভিযুক্ত নাভিদ ও সাজিদ আকরামের ফিলিপাইন সফর নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ করেছে। হামলার এক মাস আগে বাবা ও ছেলে ফিলিপাইনের দাভাও অঞ্চলে অবস্থান করেছিলেন, যা দীর্ঘদিন ধরে ইসলামপন্থী উগ্রবাদের জন্য পরিচিত একটি এলাকা হিসেবে বিবেচিত।
১৪ ডিসেম্বর বন্ডির ‘চানুকাহ বাই দ্য সি’ অনুষ্ঠানে জনতার ওপর গুলি চালানোর অভিযোগে নাভিদ ও সাজিদ আকরামের বিরুদ্ধে মামলা হয়। এই হামলায় ১৫ জন নিহত হন এবং আরও বহু মানুষ আহত হন। পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলেই সাজিদ আক্রম নিহত হন, আর নাভিদ আক্রমের বিরুদ্ধে ১৫টি হত্যা, ৪০টি হত্যাচেষ্টাসহ একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে।
তদন্তে উঠে এসেছে, ফিলিপাইনে অবস্থানকালে তারা যে হোটেলে ছিলেন, সেখানে দীর্ঘ সময় ঘরের ভেতরেই কাটিয়েছেন। হোটেলের কর্মীদের বর্ণনা ও সিসিটিভি ফুটেজ ইতোমধ্যেই এএফপির হাতে এসেছে। এএফপি কমিশনার ক্রিসি ব্যারেট বলেন, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে তারা একাই এই হামলা চালিয়েছে এবং কোনো বড় সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের অংশ ছিল না। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “আমি এটা বলছি না যে তারা সেখানে পর্যটনের জন্য গিয়েছিল।”
ব্যারেট আরও জানান, তদন্ত এখনও চলমান এবং সিসিটিভি ফুটেজসহ অন্যান্য গোয়েন্দা তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভবিষ্যতে নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন। পাশাপাশি খতিয়ে দেখা হচ্ছে, অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানকালে তারা আইএসআইএসের কোনো সদস্য বা সমর্থকের সহায়তা পেয়েছিল কি না।

হামলার আগে ফিলিপাইনে নাভিদ ও সাজিদ আক্রমের চলাচল ও অবস্থান সংক্রান্ত সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশ (এএফপি)। ছবি: সংগৃহীত
হামলার পর একজন এএফপি বিশ্লেষককে ফিলিপাইনে পাঠানো হয়েছে, যিনি স্থানীয় পুলিশ ও ফিলিপাইন ন্যাশনাল পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছেন।
কমিশনার ব্যারেট বলেন, “যারা ইসলামের নাম ব্যবহার করে ঘৃণা ও সহিংসতা ছড়ায়, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান কঠোর।” তিনি জানান, ইহুদি সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ঘৃণা উসকে দেওয়া যেসব ধর্মীয় বক্তৃতা ও বক্তব্য রয়েছে, সেগুলো লাইন ধরে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে এবং আইনগত পদক্ষেপের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ব্যারেট বলেন, নতুন আইন আদালতে মামলা চালাতে সহায়ক হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক জানান, বর্তমান আইনে কেবল সহিংসতায় প্ররোচনা থাকলেই অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়, শুধু ঘৃণামূলক বক্তব্য দিলে তা শাস্তিযোগ্য নয়। তিনি বলেন, “আমরা এখন এটাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে চাই। ঘৃণামূলক প্রচারকে অবৈধ ও দণ্ডনীয় করতে চাই।”
সূত্র: এবিসি নিউজ
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au