ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষ, নিহত ১
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজ পড়ানোর ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে…
মেলবোর্ন, ১ জানুয়ারি- রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ভোটের ফলাফলের ভিত্তিতে গঠিত একটি জাতীয় সরকারে যোগ দিতে আগ্রহী তার দল। একই সঙ্গে তিনি চলতি ২০২৫ সালের শুরুতে ভারতের এক কূটনীতিকের সঙ্গে গোপনে বৈঠকের কথাও প্রকাশ করেছেন। ডা. শফিকুর রহমানের দাবি, বৈঠকটি গোপন রাখার অনুরোধ করেছিলেন ওই ভারতীয় কূটনীতিক নিজেই, সে কারণেই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসেনি।
ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, নয়াদিল্লি যখন সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকারী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াচ্ছে, সেই প্রেক্ষাপটে জামায়াত আমির জানান, চলতি বছর তিনি একজন ভারতীয় কূটনীতিকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, অন্যান্য দেশের কূটনীতিকরা প্রকাশ্যে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেও ভারতীয় ওই কর্মকর্তা বৈঠকটি গোপন রাখতে অনুরোধ করেন।
রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সম্পর্ক উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই এবং সবাইকে সবার প্রতি খোলা মনোভাব রাখতে হবে। তিনি জানান, জামায়াত অন্তত পাঁচ বছরের জন্য একটি স্থিতিশীল রাষ্ট্র দেখতে চায়। দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা হলে একটি জাতীয় সরকার গঠন করে সবাই মিলে দেশ পরিচালনার পক্ষে তিনি মত দেন।
তিনি আরও বলেন, দুর্নীতিবিরোধী কর্মসূচি একটি জাতীয় সরকারের জন্য যৌথ লক্ষ্য হওয়া উচিত। তার মতে, এই ইস্যুতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্য সম্ভব এবং প্রয়োজনীয়ও।
প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের প্রশ্নে জামায়াত আমির বলেন, যে দল সংসদে সবচেয়ে বেশি আসন পাবে, সেই দলের নেতাই প্রধানমন্ত্রী হবেন। জামায়াত যদি সর্বাধিক আসন পায়, সে ক্ষেত্রে তিনি নিজে প্রধানমন্ত্রী হবেন কি না, সেই সিদ্ধান্ত দলীয়ভাবে নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি। তবে ভারত সরকারের একটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখছে।
পাকিস্তানের সঙ্গে জামায়াতের অতীত সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তার দল সব দেশের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক চায় এবং কোনো একটি দেশের দিকে ঝুঁকে পড়তে আগ্রহী নয়। তিনি বলেন, সবাইকে সম্মান করা এবং ভারসাম্য রক্ষা করাই জামায়াতের নীতি।
সাক্ষাৎকারে বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রসঙ্গেও মত দেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, কোনো সরকারই বর্তমান রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে স্বস্তিতে থাকবে না। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে আওয়ামী লীগের সমর্থনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি হন মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি নিজেও সম্প্রতি রয়টার্সকে জানিয়েছেন, প্রয়োজনে মেয়াদের মাঝপথে পদ ছাড়তে প্রস্তুত রয়েছেন।
তবে বুধবার রয়টার্সের সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন, এ নিয়ে কথা বলে বিষয়টি আরও জটিল করতে চান না।
সূত্রঃ কালবেলা
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au