চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ১ জানুয়ারি- ঢাকা মহানগর পুলিশের কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও থার্টি ফার্স্ট নাইটে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আতশবাজি, পটকা ফোটানো ও ফানুস ওড়ানোর চিত্র দেখা গেছে। খ্রিষ্টীয় ২০২৬ সালকে বরণ করতে রাত ১২টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে আশপাশের এলাকা। অনেক জায়গায় রাত ১১টার আগেই পটকা ও ফানুস ওড়ানো শুরু হয়।
এবার ফানুসের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম থাকলেও আতশবাজি ও পটকার শব্দ ছিল তীব্র। ধানমন্ডি এলাকায় চারদিক থেকে আগুনের ফুলের মতো আতশবাজি ফুটতে দেখা যায়। তীব্র শব্দে আশপাশের এলাকা বারবার কেঁপে ওঠে। কোথাও কোথাও আকাশে ড্রোন ওড়াতেও দেখা গেছে। রাত পৌনে ১টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্তও বিভিন্ন এলাকায় আতশবাজির শব্দ শোনা যাচ্ছিল।
মোহাম্মদপুরের বসিলা এলাকায় রাত ১০টার আগেই ফানুস ওড়াতে এবং আতশবাজি ফুটাতে দেখা যায়। আদাবর এলাকায় রাত ১১টার পর আকাশে অসংখ্য ফানুস ভাসতে থাকে এবং রাত ১২টার দিকে শুরু হয় বিকট শব্দের আতশবাজি। রাজধানীর প্রায় প্রতিটি এলাকার বাসাবাড়ির ছাদে ছাদে মানুষ জড়ো হয়ে ফানুস ও আতশবাজি উড়িয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
এই উদযাপনের ফলে পাখি ও প্রাণীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আতশবাজির শব্দে অনেক পাখিকে উড়াউড়ি করতে দেখা যায়। কোথাও কোথাও কবুতর ভবনের ছাদে আশ্রয় নেয়। শহরের অলিগলিতে কুকুর ও বিড়ালকেও ভয়ে ছুটোছুটি করতে দেখা গেছে। কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি থাকলেও এসব উদযাপন কার্যকরভাবে ঠেকানো যায়নি। ভ্রাম্যমাণ আদালতের তৎপরতাও চোখে পড়েনি বলে অভিযোগ ওঠে।
উল্লেখ্য, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বুধবার ৩১ ডিসেম্বর থেকে শুক্রবার ২ জানুয়ারি পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হচ্ছে। এই শোক পালন উপলক্ষে ঢাকা মহানগর এলাকায় সব ধরনের আতশবাজি, পটকা ফোটানো, ফানুস ও গ্যাস বেলুন ওড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে ঢাকা মহানগর পুলিশ।
ডিএমপির জারি করা গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শোকের মর্যাদা রক্ষায় উন্মুক্ত স্থানে কোনো ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ডিজে পার্টি, র্যালি কিংবা শোভাযাত্রা আয়োজন করা যাবে না। পাশাপাশি উচ্চস্বরে গাড়ির হর্ন বাজানোসহ জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করতে পারে এমন সব কর্মকাণ্ড থেকেও বিরত থাকতে নগরবাসীকে নির্দেশ দেওয়া হয়। অগ্নিকাণ্ড ও জননিরাপত্তার ঝুঁকির কথা বিবেচনা করেই এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
এর আগে ২০২২ সালে নববর্ষের রাতে আতশবাজি ও পটকার বিকট শব্দে অসুস্থ হয়ে তানজীম উমায়ের নামে সাড়ে চার মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। সেই ঘটনার পরও প্রতিবছর থার্টি ফার্স্ট নাইটে একই চিত্র দেখা যাচ্ছে বলে অভিযোগ নগরবাসীর।
শোকের আবহ এবং স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও ঢাকায় এবারও থার্টি ফার্স্ট নাইটে আতশবাজি ও ফানুস উড়িয়ে নববর্ষ উদযাপন করা হয়েছে, যা জননিরাপত্তা ও আইন প্রয়োগ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au