চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ৫ জানুয়ারি- ভেনেজুয়েলায় বড় ধরনের সামরিক অভিযানের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে কারাকাস থেকে নিউইয়র্কে নিয়ে যাওয়ার ঘটনার পর এবার কলম্বিয়া ও কিউবার দিকে নজর দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোর বিরুদ্ধেও কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন এবং কিউবায় শিগগিরই সরকারের পতন হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন।
গত রোববার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় উড়োজাহাজ এয়ারফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, ভেনেজুয়েলা গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে কলম্বিয়াতেও।
ট্রাম্প বলেন, কলম্বিয়ায় এমন একজন ব্যক্তি দেশ পরিচালনা করছেন, যিনি কোকেন উৎপাদন করে তা যুক্তরাষ্ট্রে পাচার করতে আগ্রহী। তাঁর ভাষায়, “এমন পরিস্থিতি তিনি খুব বেশি দিন ধরে রাখতে পারবেন না।” ট্রাম্পের এই বক্তব্যে কলম্বিয়ার বর্তমান সরকারের প্রতি সরাসরি হুমকির ইঙ্গিত রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে কলম্বিয়ায় মার্কিন সামরিক অভিযানের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প সরাসরি তা অস্বীকার করেননি। বরং তিনি বলেন, “শুনতে ভালোই লাগছে।” এই মন্তব্য নতুন করে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
কিউবার প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, সেখানে সামরিক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে কম। কারণ, তাঁর মতে কিউবা এমনিতেই ভেঙে পড়ার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। তিনি দাবি করেন, কিউবার অর্থনীতি কার্যত দেউলিয়া অবস্থায় পৌঁছেছে এবং দেশটির আয়ের বড় একটি অংশ ভেনেজুয়েলা থেকে, বিশেষ করে ভেনেজুয়েলার জ্বালানি তেল থেকে আসত।
ট্রাম্পের ভাষায়, কিউবার এখন আর নিজস্ব কোনো উল্লেখযোগ্য আয় নেই। ফলে তারা কত দিন এই পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবে, তা নিয়েও তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন।
এর আগে গত শনিবার রাজধানী কারাকাসসহ ভেনেজুয়েলার বিভিন্ন স্থানে বড় পরিসরে সামরিক হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। ডেল্টা ফোর্সসহ মার্কিন এলিট বাহিনীর সদস্যরা প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর নিরাপদ আবাসস্থল থেকে তাঁকে এবং তাঁর স্ত্রীকে আটক করে।
পরে নৌ ও আকাশপথে প্রায় দুই হাজার ১০০ মাইল পথ পাড়ি দিয়ে মাদুরো দম্পতিকে নিউইয়র্কে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে মাদক পাচারসহ বিভিন্ন অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে বিচার চালানোর ঘোষণা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। স্থানীয় সময় সোমবার তাঁদের আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে বলে জানা গেছে।
ভেনেজুয়েলার ঘটনার পর ট্রাম্পের কলম্বিয়া ও কিউবাকে নিয়ে দেওয়া মন্তব্যগুলো লাতিন আমেরিকার রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এসব বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া কী হয়, সে দিকেই এখন নজর রয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au