রেমিট্যান্স নেবে সরকার, প্রবাসীদের মরদেহের দায় কেন নেবে না?
সৌদি আরবে দুই চ নাগরিক নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিথি আখতারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা বাংলাদেশের কূটনৈতিক তৎপরতা, প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষা এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে…
মেলবোর্ন, ৬ জানুয়ারি- ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো তার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সোমবার স্থানীয় সময় নিউইয়র্কের ফেডারেল আদালতে প্রথমবারের মতো হাজির হয়ে তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করেন। একইসঙ্গে তার স্ত্রী ও ভেনেজুয়েলার ফার্স্ট লেডি সিলিয়া ফ্লোরেসও আদালতে নিজেকে নির্দোষ বলে ঘোষণা দেন।
নিউইয়র্কের ফেডারেল বিচারক অ্যালভিন হেলারস্টাইনের এজলাসে শুনানি চলাকালে বিচারক তাদের কনস্যুলার সহায়তার অধিকার সম্পর্কে জানান। এ সময় মাদুরো ও তার স্ত্রী দুজনই কনস্যুলার সাক্ষাতের আবেদন করেন। তবে আপাতত তারা কেউই জামিনের আবেদন করেননি বলে আদালতকে জানানো হয়।
মার্কিন প্রসিকিউটররা মাদুরোর বিরুদ্ধে চারটি গুরুতর অভিযোগ এনেছেন। এর মধ্যে রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত একটি কথিত ‘মাদক-সন্ত্রাসী’ ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগ। অভিযোগপত্রে বলা হয়, তিনি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচারে সহায়তা করেছেন। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ধ্বংসাত্মক ডিভাইস ব্যবহারের অভিযোগও আনা হয়েছে।
আদালতে নিজের বক্তব্যে নিকোলাস মাদুরো বলেন, “আমি নির্দোষ। আমি কোনো অপরাধ করিনি। আমি একজন ভদ্র মানুষ এবং এখনো আমার দেশের প্রেসিডেন্ট।” একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, তাকে নিজ দেশ ভেনেজুয়েলা থেকে অপহরণ করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসা হয়েছে।
মার্কিন কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, গত শনিবার রাতে একটি বিশেষ অভিযানে মাদুরো ও তার স্ত্রীকে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস থেকে আটক করা হয়। অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ডেল্টা ফোর্সের সদস্যরা অংশ নেয়। পরে তাদের নিউইয়র্কে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে দুজনই ব্রুকলিনের একটি ফেডারেল ডিটেনশন সেন্টারে আটক রয়েছেন।
মাদুরোর নিযুক্ত আইনজীবী আদালতকে জানান, তার মক্কেল এই মুহূর্তে জামিন চাইছেন না। তবে ভবিষ্যতে জামিনের আবেদন করা হতে পারে। শুনানি শেষে বিচারক মামলার পরবর্তী তারিখ আগামী ১৭ মার্চ নির্ধারণ করেন।
এদিকে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, শুনানিকালে আদালতের ভেতর এক ব্যক্তি স্প্যানিশ ভাষায় চিৎকার করে মাদুরোর উদ্দেশে বলেন, তিনি যা করেছেন তার জন্য তাকে মূল্য দিতে হবে। এর জবাবে মাদুরো স্প্যানিশ ভাষায় বলেন, “আমি একজন অপহৃত প্রেসিডেন্ট, একজন যুদ্ধবন্দি।” এরপর আদালতের নিরাপত্তা কর্মীরা তাকে এজলাস থেকে বের করে নিয়ে যান।
পরে আদালতে হাজির করা হয় তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে। সে সময় এজলাসে উপস্থিত একজন আবেগাপ্লুত হয়ে কাঁদতে শুরু করলে বিচারক তাকে বের হয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au