চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ৬ জানুয়ারি- আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াত ও এনসিপির মধ্যে চলমান আসন সমঝোতায় বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। শুরুতে জোট গঠনের আলোচনায় এনসিপিকে প্রায় ৩০টি আসন ছাড় দেওয়ার বিষয়ে প্রাথমিক বোঝাপড়া হলেও চূড়ান্ত পর্যায়ে এসে সেই সংখ্যা কমে দশের নিচে নেমে আসতে পারে। এতে এনসিপির একাধিক আলোচিত ও প্রভাবশালী নেতা নির্বাচনী দৌড় থেকে ছিটকে পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে দলটির অন্দরমহলে আবারও অস্থিরতা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
যদিও নির্বাচনী কৌশলের কথা বিবেচনায় রেখে এখনই এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি জামায়াত বা এনসিপির শীর্ষ নেতারা। দুই দলের কেউই আনুষ্ঠানিকভাবে আসন সংখ্যার বিষয়ে মুখ খুলছেন না। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, জামায়াত চায় এমন প্রার্থীদেরই চূড়ান্ত তালিকায় রাখতে, যাদের নিজ নিজ এলাকায় শক্ত জনভিত্তি ও জনপ্রিয়তা রয়েছে।
এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার জানিয়েছেন, জামায়াতের সঙ্গে আসন সমঝোতা নিয়ে নিয়মিত আলোচনা চলছে। তিনি বলেন, কিছু কিছু আসনে ইতোমধ্যে অনানুষ্ঠানিকভাবে সমঝোতা হয়েছে। ওইসব এলাকায় জামায়াতের প্রার্থীরা এনসিপির প্রার্থীদের জন্য জায়গা ছেড়ে দিয়েছেন এবং সেখানে দুই দলের মধ্যে সমন্বিতভাবে নির্বাচনী প্রস্তুতির কাজও চলছে। তার দাবি, অনানুষ্ঠানিক এই সমঝোতা খুব শিগগিরই চূড়ান্ত রূপ পাবে। তখন জোটের সব শরিক একসঙ্গে একটি মার্কার পক্ষে প্রচারণায় নামবে এবং এ নিয়ে যে বিভ্রান্তি রয়েছে, সেটার অবসান হবে।
অন্যদিকে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোবারক হোসাইন বলেন, সংগঠনের সিদ্ধান্তের প্রশ্নে জামায়াত সব সময় অটল থাকে। তিনি জানান, যে আসন সংগঠন জোটকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, সেটি তিনি নির্দ্বিধায় মেনে নেন। মোবারক হোসাইন বলেন, যেখানে জামায়াত প্রার্থী দিয়েছে, সেখানে তিনি নিজে মনোনয়নপত্র বাছাই প্রক্রিয়ায় উপস্থিত ছিলেন এবং দলীয় প্রার্থীকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন।
দুই দলই জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে বলে জানিয়েছেন নেতারা। মোবারক হোসাইন বলেন, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পরই স্পষ্ট হয়ে যাবে কে কোন আসনে থাকছেন আর কে থাকছেন না। তিনি বলেন, জামায়াত চেষ্টা করবে জোটের ঐক্য বজায় রেখে নির্বাচন সম্পন্ন করতে। এ জন্য প্রয়োজনে জামায়াতকে কিছু ছাড় দিতে হলেও দলটি তা দেবে।
এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষারও জানান, আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এলে আসন বণ্টনের প্রকৃত চিত্র পরিষ্কার হবে। তিনি বলেন, এখনো আসন সংখ্যার বিষয়টি পুরোপুরি চূড়ান্ত হয়নি।
চূড়ান্ত আসন সমঝোতা এখনো না হলেও জামায়াত ও এনসিপি নেতৃত্বের দাবি, দুই দলের মধ্যে জোট নিয়ে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও মনোভাব অত্যন্ত ইতিবাচক। নেতারা আশা করছেন, সব জটিলতা কাটিয়ে তারা শেষ পর্যন্ত ঐক্যবদ্ধভাবেই নির্বাচনী মাঠে নামতে পারবেন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au